EPEnglishPreps Log InFree Sign Up

DEVELOPING COMPOSITION

English Grammar and Composition class 8 - অষ্টম শ্রেণী

📝 Text Analysis🗓 2026-08-19⏱ About 23 min read
← All categoriesEnglish Conversation Courses112সপ্তম শ্রেণী27অষ্টম শ্রেণী17একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী13ষষ্ঠ শ্রেণী11দ্বিতীয় শ্রেণী9তৃতীয় শ্রেণী7French Language6প্রথম শ্রেণী5নবম ও দশম শ্রেণী2Academic English1Cambridge IELTS1English Language Courses1
📚 All chapters
Chapter Fifteen
DEVELOPING COMPOSITION
DEVELOPING COMPOSITION
১৫.১ শিখনফল ও বিশ্লেষণের ধরন
✦ Key Points
  • A composition contains a number of paragraphs that discuss one main idea.
  • The main idea is the topic about which the composition is written.
  • A composition has three main sections: introduction, body and conclusion.
  • The introduction is the first paragraph and clearly states the subject of the composition.
  • An effective introduction should be attractive or strong enough to catch the readers’ attention.
  • The body contains different paragraphs, and each paragraph should focus on one supporting idea.
  • Every body paragraph should support the main idea stated in the introduction.
  • A body paragraph should contain a topic sentence, a middle and a conclusion.
  • Examples and explanations should support each idea as clearly as possible.
  • The conclusion sums up the idea that has already been presented in the composition.
  • A narrative composition tells a story or presents events in the order in which they occurred.
  • A descriptive composition gives details about a person, place or thing and appeals to the five senses.
  • A persuasive composition presents arguments and supports them with clear reasons.
  • An informative or expository composition explains facts, ideas or a process.

১৫.২ বিশ্লেষণের কাঠামো

গতিবেগ ও আপেক্ষিক গতিবেগের সূত্রাবলী
  1. গতিবেগ = দূরত্বসময়
  2. মি./সে. = কি.মি./ঘণ্টা × ৫১৮
  3. কি.মি./ঘণ্টা = মি./সে. × ১৮৫
  4. খুঁটি অতিক্রমের সময় = ট্রেনের দৈর্ঘ্যট্রেনের গতিবেগ
  5. প্ল্যাটফর্ম অতিক্রমের সময় = ট্রেনের দৈর্ঘ্য + প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ্যট্রেনের গতিবেগ
  6. বিপরীত দিকে আপেক্ষিক বেগ = প্রথম বেগ + দ্বিতীয় বেগ
  7. একই দিকে আপেক্ষিক বেগ = বড় বেগ − ছোট বেগ
  8. স্রোতের অনুকূলে নৌকার বেগ = স্থির জলে নৌকার বেগ + স্রোতের বেগ
  9. সমান দূরত্বে গড় গতিবেগ = ২ × প্রথম বেগ × দ্বিতীয় বেগপ্রথম বেগ + দ্বিতীয় বেগ

১৫.৩ Type-১ : সারসংক্ষেপ ও ঘটনাক্রম

রচনায় একটি প্রধান ভাবকে কেন্দ্র করে কয়েকটি অনুচ্ছেদ সাজানো হয়। পাঠ্যাংশে বলা হয়েছে, “A composition contains a number of paragraphs which discuss one main idea.” এই রচনার তিনটি প্রধান অংশ হলো ভূমিকা, মূল অংশ ও উপসংহার। ভূমিকা বিষয়টি জানায়, মূল অংশে সহায়ক ভাবগুলো আলাদা অনুচ্ছেদে ব্যাখ্যা করা হয় এবং উপসংহার আগের বক্তব্য সংক্ষেপে শেষ করে।

রচনার বিকাশে প্রথমে বিষয় নির্ধারণ করতে হয়, পরে আকর্ষণীয় ভূমিকা লিখতে হয়। প্রতিটি মূল অনুচ্ছেদে একটি করে সহায়ক ভাব থাকবে এবং সেই ভাবটি প্রধান বক্তব্যের সঙ্গে যুক্ত থাকবে। পাঠ্যাংশের নির্দেশনা হলো, “Write one supporting idea in one paragraph.” শেষে উপসংহারে আগে বলা বিষয়গুলোর সারাংশ দিতে হয়; কারণ “The conclusion sums up what you have already written.”

শর্টকাট পদ্ধতি
সারসংক্ষেপ তৈরির ধাপ: ১) প্রধান ভাব খুঁজে নাও; ২) ভূমিকা, মূল অংশ ও উপসংহার আলাদা করো; ৩) প্রতিটি মূল অনুচ্ছেদের একটি করে সহায়ক ভাব লেখো; ৪) রচনার ধরন চিহ্নিত করো; ৫) শেষে পুরো বক্তব্যের সংক্ষিপ্ত ফল লেখো। এই পদ্ধতিটি পাঠ্যাংশের “A composition has three main sections. These are introduction, body, conclusion.” বক্তব্যের সঙ্গে মেলে।

জেনে রাখুন: এটি কোনো গল্পের ঘটনাক্রম নয়; এখানে ধারণাগুলো যে ক্রমে ব্যাখ্যা করা হয়েছে, সেটিই বিশ্লেষণের ঘটনাক্রম। বর্ণনামূলক রচনায় স্থান, ব্যক্তি বা বস্তুর বিবরণ খুঁজবে; যুক্তিমূলক রচনায় কারণসহ মতামত খুঁজবে; আর তথ্যভিত্তিক রচনায় তথ্য, ভাব বা প্রক্রিয়ার ব্যাখ্যা খুঁজবে। পাঠ্যাংশে রচনার ধরন সম্পর্কে বলা হয়েছে, “Composition can be of many types.”

ক্রমঘটনাগুরুত্ব
১রচনার প্রধান ভাব ও বিষয় নির্ধারণ করা হয়। “The main idea is the ‘topic’ which you are going to write about.”পুরো রচনার কেন্দ্র স্থির হয়।
২ভূমিকায় বিষয়টি স্পষ্টভাবে জানানো হয়। “The introduction should be attractive or strong enough to catch the attention of the readers.”পাঠকের আগ্রহ তৈরি হয়।
৩মূল অংশে সহায়ক ভাবগুলো পৃথক অনুচ্ছেদে ব্যাখ্যা করা হয়। “Each paragraph of the body focuses one idea.”প্রধান ভাবটি পরিষ্কারভাবে বিকশিত হয়।
৪উপসংহারে উপস্থাপিত ভাবের সারাংশ দেওয়া হয়। “This section sums up the idea presented in the composition”রচনার বক্তব্য সম্পূর্ণ হয়।
৫উদাহরণে বসন্ত, গ্রামের বাজার ও প্রিয় কবিকে বিষয় করে রচনা কীভাবে গড়ে ওঠে তা দেখানো হয়। “Now look at the sample composition and try to understand how we develop different parts of a composition gradually.”নিয়মের ব্যবহারিক রূপ বোঝা যায়।

সমাধানকৃত উদাহরণ: প্রশ্ন: রচনার তিনটি অংশের কাজ সংক্ষেপে লেখো। সমাধান: প্রথমে ভূমিকা প্রধান বিষয় জানায়—“The Introduction tells the subject of your composition”. এরপর মূল অংশে প্রতিটি অনুচ্ছেদে একটি সহায়ক ভাব ব্যাখ্যা করা হয়—“Support your idea with examples and explanations as clearly as possible.” সবশেষে উপসংহার আগে বলা বিষয়ের সারাংশ দেয়। ∴ উত্তর: ভূমিকা বিষয় জানায়, মূল অংশ বিষয়টি ব্যাখ্যা করে এবং উপসংহার বক্তব্যের সারাংশ দেয়।

অনুশীলন প্রশ্ন ও সমাধান: প্রশ্ন: “A Village Market” উদাহরণে রচনার প্রধান বিষয় কীভাবে ধাপে ধাপে বিকশিত হয়েছে? সমাধান: প্রথমে গ্রামের বাজারের পরিচয় দেওয়া হয়েছে—“A village market is a place where the villagers meet to buy and sell things.” পরে বাজার বসার সময় ও ধরন বলা হয়েছে, তারপর বাজারের কাজকর্ম এবং গ্রামবাসীর উপকার ব্যাখ্যা করা হয়েছে। শেষে এর গুরুত্ব জানিয়ে বক্তব্য শেষ হয়েছে—“The village market does a great service to the rural people.” ∴ উত্তর: পরিচয় → সময় ও ধরন → কাজকর্ম → উপকারিতা → গুরুত্ব।

১৫.৪ Type-১ অনুশীলন ও উত্তর
Type-১ : সারসংক্ষেপ ও ঘটনাক্রম

এই ধরনের প্রশ্নে রচনার প্রধান ভাব, ভূমিকা, মূল অংশ, উপসংহার এবং ভাবগুলোর ধারাবাহিকতা শনাক্ত করতে হয়। পাঠ্যাংশে বলা হয়েছে, “রচনার তিনটি প্রধান অংশ হলো ভূমিকা, মূল অংশ ও উপসংহার।”

শর্টকাট পদ্ধতি
১) প্রথমে প্রধান বিষয় বা ভাব চিহ্নিত করো।
২) এরপর ভূমিকা, মূল অংশ ও উপসংহার আলাদা করো।
৩) মূল অংশের প্রতিটি অনুচ্ছেদে কোন সহায়ক ভাব আছে, তা লেখো।
৪) বক্তব্যের ধরন নির্ণয় করো—ঘটনার ক্রম হলে বর্ণনামূলক বা ঘটনাভিত্তিক, স্থান-ব্যক্তি-বস্তুর বিবরণ হলে বর্ণনামূলক, কারণসহ মতামত হলে যুক্তিমূলক এবং তথ্য, ভাব বা প্রক্রিয়ার ব্যাখ্যা হলে তথ্যভিত্তিক।
৫) শেষে সব ভাবের সংক্ষিপ্ত সারাংশ লেখো।
জেনে রাখুন

ভূমিকা রচনায় কী বলা হবে তা জানায়, আর উপসংহার আগে বলা কথাগুলো সংক্ষেপে শেষ করে। পাঠ্যাংশের বক্তব্য হলো, “ভূমিকা বিষয়টি জানায়” এবং “উপসংহার আগের বক্তব্য সংক্ষেপে শেষ করে।”

এখানে ঘটনাক্রম বলতে কোনো গল্পের ঘটনা নয়; রচনায় ভাব বা তথ্য যে ক্রমে উপস্থাপিত হয়েছে, সেই ক্রম বোঝায়। প্রতিটি মূল অনুচ্ছেদে একটি সহায়ক ভাব থাকবে এবং তা প্রধান ভাবের সঙ্গে যুক্ত থাকবে।

সমাধানকৃত উদাহরণ

প্রশ্ন: একটি রচনার ভূমিকা, মূল অংশ ও উপসংহারের কাজ ক্রমানুসারে লেখো।

সমাধান:

প্রথম ধাপ: ভূমিকা রচনার বিষয় বা প্রধান ভাব স্পষ্ট করে।
প্রমাণ: “ভূমিকা বিষয়টি জানায়।”

দ্বিতীয় ধাপ: মূল অংশে সহায়ক ভাবগুলো পৃথক অনুচ্ছেদে ব্যাখ্যা করা হয়।
প্রমাণ: “প্রতিটি মূল অনুচ্ছেদে একটি করে সহায়ক ভাব থাকবে।”

তৃতীয় ধাপ: উপসংহারে আগে উপস্থাপিত বক্তব্যের সারাংশ দেওয়া হয়।
প্রমাণ: “উপসংহার আগের বক্তব্য সংক্ষেপে শেষ করে।”

∴ উত্তর: ভূমিকা বিষয় জানায় → মূল অংশ সহায়ক ভাব ব্যাখ্যা করে → উপসংহার পুরো বক্তব্যের সারাংশ দেয়।
অনুশীলন প্রশ্ন ও সমাধান—১

প্রশ্ন: “বসন্ত” বিষয়ের রচনায় মূল অংশের ভাবগুলো কীভাবে ধারাবাহিকভাবে সাজানো হয়েছে?

সমাধান:

প্রথমে বসন্তের ভৌত পরিবেশের বিবরণ দেওয়া হয়েছে।
প্রমাণ: “বসন্তে প্রকৃতি শান্ত ও নীরব মনে হয়।”

এরপর প্রকৃতির নবীন ও বর্ণিল সৌন্দর্য ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
প্রমাণ: “গাছপালা নতুন পাতায় সজ্জিত হয়।”

পরে দক্ষিণা বাতাস, ফুলের গন্ধ ও কোকিলের গান মানুষের মনকে কীভাবে আকর্ষণ করে, তা বলা হয়েছে।
প্রমাণ: “কোকিলের ভেসে আসা গান আমাদের খুব আকর্ষণ করে।”

সবশেষে বসন্তের সৌন্দর্য ও মনের ওপর তার প্রভাবের সারাংশ দেওয়া হয়েছে।
প্রমাণ: “বসন্ত বাংলাদেশের সবচেয়ে রঙিন ও সুন্দর ঋতু।”

∴ উত্তর: ভৌত পরিবেশ → প্রকৃতির সৌন্দর্য → মানুষের মন ও হৃদয়ে প্রভাব → বসন্তের গুরুত্ব।
অনুশীলন প্রশ্ন ও সমাধান—২

প্রশ্ন: রচনার প্রধান ভাবের সঙ্গে মূল অনুচ্ছেদগুলোর সম্পর্ক ব্যাখ্যা করো।

সমাধান:

প্রথমে রচনার বিষয়কে কেন্দ্র করে একটি প্রধান ভাব নির্ধারণ করা হয়।
প্রমাণ: “প্রধান ভাব হলো যে বিষয় নিয়ে তুমি লিখতে যাচ্ছ।”

তারপর সেই প্রধান ভাবকে স্পষ্ট করার জন্য মূল অংশে একাধিক সহায়ক ভাব সাজানো হয়।
প্রমাণ: “মূল অংশের প্রতিটি অনুচ্ছেদ একটি ভাবকে কেন্দ্র করে।”

প্রতিটি অনুচ্ছেদে আলাদা একটি ভাব থাকলেও তা ভূমিকার বক্তব্যকে সমর্থন করে।
প্রমাণ: “এই ভাবটি ভূমিকায় যা বলা হয়েছে, তাকে সমর্থন করবে।”

তাই মূল অনুচ্ছেদগুলো আলাদা হলেও পুরো রচনার কেন্দ্রীয় বক্তব্য থেকে বিচ্ছিন্ন হয় না।

∴ উত্তর: প্রধান ভাব হলো কেন্দ্র; মূল অনুচ্ছেদগুলো পৃথক সহায়ক ভাবের মাধ্যমে সেই কেন্দ্রকে ব্যাখ্যা ও সমর্থন করে।
অনুশীলন প্রশ্ন ও সমাধান—৩

প্রশ্ন: “একজন প্রিয় কবি” বিষয়ের রচনায় তথ্য উপস্থাপনের ঘটনাক্রম লেখো।

সমাধান:

প্রথমে কবির নাম ও কেন তিনি প্রিয়, তা জানানো হয়েছে।
প্রমাণ: “কাজী নজরুল ইসলাম আমার প্রিয় কবি।”

এরপর তাঁর জন্মস্থান ও জন্মতারিখের তথ্য দেওয়া হয়েছে।
প্রমাণ: “কাজী নজরুল ইসলাম ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমানের চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।”

পরে তাঁর ধর্মীয় শিক্ষা ও মক্তবে পড়াশোনার কথা বলা হয়েছে।
প্রমাণ: “নজরুল ইসলাম ধর্মীয় শিক্ষা লাভ করেন।”

এরপর তাঁর কবিতা, গান, গজল ও উল্লেখযোগ্য রচনার পরিচয় দেওয়া হয়েছে।
প্রমাণ: “তিনি তাঁর কবিতার জন্য খুব বিখ্যাত ছিলেন।”

সবশেষে তাঁর মৃত্যুর তথ্য এবং স্থায়ী স্মরণের কথা বলা হয়েছে।
প্রমাণ: “মহত্ত্বের জন্য জাতি তাঁকে চিরকাল স্মরণ করবে।”

∴ উত্তর: পরিচয় ও পছন্দ → জন্মস্থান ও জন্মতারিখ → শিক্ষা → প্রধান রচনা → মৃত্যু ও স্মরণীয়তা।
অনুশীলন প্রশ্ন ও সমাধান—৪

প্রশ্ন: একটি গ্রামের বাজার বিষয়ক রচনার ভাববিকাশের ধাপগুলো সংক্ষেপে লেখো।

সমাধান:

প্রথম ধাপ: গ্রামের বাজার কী, তার পরিচয় দেওয়া হয়েছে।
প্রমাণ: “গ্রামের বাজার এমন একটি স্থান যেখানে গ্রামের মানুষ জিনিস কেনাবেচার জন্য মিলিত হয়।”

দ্বিতীয় ধাপ: বাজার কখন বসে এবং দৈনিক ও সাপ্তাহিক বাজারের পার্থক্য কী, তা বলা হয়েছে।
প্রমাণ: “সাধারণত গ্রামের বাজার প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় বসে।”

তৃতীয় ধাপ: বিক্রেতা ও দোকানিদের বিভিন্ন কাজের বিবরণ দেওয়া হয়েছে।
প্রমাণ: “কৃষক, কুমোর ও তাঁতিরা তাদের পণ্য বিক্রি করে।”

চতুর্থ ধাপ: বাজারটি গ্রামবাসীকে কীভাবে সাহায্য করে, তা ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
প্রমাণ: “এখানে তারা দৈনন্দিন ব্যবহারের অধিকাংশ জিনিস পায়।”

পঞ্চম ধাপ: গ্রামের অর্থনীতিতে বাজারের গুরুত্ব দিয়ে রচনা শেষ হয়েছে।
প্রমাণ: “এটি গ্রামীণ অর্থনীতির মেরুদণ্ড।”

∴ উত্তর: পরিচয় → বসার সময় ও ধরন → কেনাবেচার কাজকর্ম → গ্রামবাসীর উপকার → অর্থনৈতিক গুরুত্ব।

১৫.৫ Type-২ : চরিত্র বিশ্লেষণ

চরিত্র বিশ্লেষণে প্রথমে ব্যক্তির পরিচয়, কাজ, গুণ ও ভূমিকা খুঁজে নিতে হয়। এরপর প্রতিটি দাবির পক্ষে পাঠ্যাংশের সংক্ষিপ্ত প্রমাণ দিতে হয়। এই অধ্যায়ের ‘Your Favourite Poet’ রচনায় কাজী নজরুল ইসলাম প্রধান চরিত্র; তাঁর পরিবার ও শিক্ষাজীবনের উল্লেখ পার্শ্বতথ্য হিসেবে এসেছে। তাই বিশ্লেষণে কেবল পাঠ্যাংশে প্রকাশিত তথ্যই ব্যবহার করতে হবে।

শর্টকাট পদ্ধতি
চরিত্রের পরিচয় → প্রধান কাজ বা অবদান → বৈশিষ্ট্যের প্রমাণ → রচনার বিষয় ও সুরের সঙ্গে সম্পর্ক → সংক্ষিপ্ত মূল্যায়ন।
জেনে রাখুন: প্রচলিত পদ্ধতিতে প্রতিটি অনুচ্ছেদ আলাদা করে পড়ে চরিত্রের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। শর্টকাটে পরিচয়, কাজ, প্রমাণ ও গুরুত্ব—এই চারটি দিক একসঙ্গে চিহ্নিত করলে দ্রুত বিশ্লেষণ সম্পূর্ণ হয়। বিষয় বা ভাব শনাক্ত করতে বারবার প্রকাশিত মূল ধারণা দেখবে; সুর শনাক্ত করতে লেখকের প্রশংসা, সমালোচনা বা নিরপেক্ষ বর্ণনা লক্ষ করবে। অলংকারের দাবি কেবল স্পষ্ট পাঠ্যপ্রমাণ থাকলেই করবে।

চরিত্রের তালিকা

চরিত্রভূমিকা ও বৈশিষ্ট্যপাঠ্যাংশের প্রমাণ
কাজী নজরুল ইসলামপ্রধান চরিত্র; কবি, গীতিকার ও বহুমুখী লেখক।“He was a versatile writer.”
কাজী ফকির আহমেদনজরুল ইসলামের পিতা; জীবনীসংক্রান্ত পার্শ্বতথ্যে উল্লেখিত।“His father's name was Kazi Fakir Ahamed”
জাহেদা খাতুননজরুল ইসলামের মাতা; জীবনীসংক্রান্ত পার্শ্বতথ্যে উল্লেখিত।“that of his mother was ZahedaKhatun.”

সমাধানকৃত উদাহরণ
প্রশ্ন: ‘Your Favourite Poet’ রচনার ভিত্তিতে কাজী নজরুল ইসলামের চরিত্র বিশ্লেষণ করো।
প্রচলিত পদ্ধতি: প্রথমে পরিচয়—“Kazi Nazrul Islam is my favourite poet.” এরপর তাঁর সৃষ্টিশীলতার প্রমাণ—“He wrote poems, songs, ghazals, etc .” পরে ‘বিদ্রোহী’ কবিতার মাধ্যমে তাঁর খ্যাতি ও ‘বিদ্রোহী কবি’ পরিচয় বোঝা যায়—“It became very popular among people.” তাঁর বহুমুখী প্রতিভার প্রমাণ হিসেবে কবিতা, গান, গজল ও গ্রন্থের উল্লেখ আছে। শেষে তাঁর মৃত্যুর পরও স্মরণীয় থাকার কথা বলা হয়েছে—“He will be remembered by the nation forever for his greatness.”
শর্টকাটে: পরিচয় → কবিতা, গান ও গজল রচনা → ‘বিদ্রোহী কবি’ খ্যাতি → বহুমুখী লেখক → চিরস্মরণীয়তা।
∴ উত্তর: কাজী নজরুল ইসলাম সৃষ্টিশীল, খ্যাতিমান ও বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী কবি; তাঁর সাহিত্যকর্ম ও মহানতার জন্য জাতি তাঁকে স্মরণ করবে।

অনুশীলন প্রশ্ন ও সমাধান
প্রশ্ন: ‘A Village Market’ রচনায় গ্রামবাসীদের কীভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, প্রমাণসহ লেখো।
সমাধান: প্রথমে গ্রামবাসীদের বাজারে মিলিত হয়ে কেনাবেচা করতে দেখা যায়—“the villagers meet to buy and sell things.” এতে তাঁদের দৈনন্দিন প্রয়োজন ও পারস্পরিক যোগাযোগের কথা প্রকাশ পায়। এরপর বাজার তাঁদের ব্যবহারিক সহায়তা করে—“Here they get most things of their daily use.” বাজারে যাওয়ার দূরত্বও কমে—“It saves the villagers from going to distant places to buy things.” তাই গ্রামবাসীরা প্রয়োজননির্ভর, সহযোগী ও বাজারকেন্দ্রিক জীবনের অংশ হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে।
∴ উত্তর: গ্রামবাসীরা কেনাবেচা, দৈনন্দিন প্রয়োজন পূরণ এবং পারস্পরিক মিলনের মাধ্যমে বাজারের সঙ্গে যুক্ত; পাঠ্যাংশে তাঁদের উপকারনির্ভর জীবনচিত্র ফুটে উঠেছে।

১৫.৬ Type-২ অনুশীলন ও উত্তর

বিশ্লেষণের কাঠামো
দেওয়া রাশি চিহ্নিত করো → প্রয়োজনীয় সূত্র লেখো → একক একই করো → সূত্রে মান বসাও → প্রতিটি ধাপ হিসাব করো → শেষে উত্তর ও একক লেখো।
গতিবেগ = দূরত্বসময়
সময় = দূরত্বগতিবেগ
খুঁটি অতিক্রমের সময় = ট্রেনের দৈর্ঘ্যট্রেনের গতিবেগ
বিপরীত দিকে আপেক্ষিক বেগ = প্রথম বেগ + দ্বিতীয় বেগ
স্রোতের অনুকূলে নৌকার বেগ = স্থির জলে নৌকার বেগ + স্রোতের বেগ
স্রোতের প্রতিকূলে নৌকার বেগ = স্থির জলে নৌকার বেগ − স্রোতের বেগ
প্রশ্ন: একটি গাড়ি ৮০ কি.মি. পথ ২ ঘণ্টায় অতিক্রম করে। গাড়িটির গতিবেগ নির্ণয় করো।
সমাধান:
গতিবেগ = দূরত্বসময়
             = ৮০২ কি.মি./ঘণ্টা
             = ৪০ কি.মি./ঘণ্টা
∴ উত্তর: গাড়িটির গতিবেগ ৪০ কি.মি./ঘণ্টা।
প্রশ্ন: ২৫ মি./সে.-কে কি.মি./ঘণ্টায় প্রকাশ করো।
সমাধান:
১ মি./সে. = ১৮৫ কি.মি./ঘণ্টা
২৫ মি./সে. = ২৫ × ১৮৫ কি.মি./ঘণ্টা
             = ৫ × ১৮ কি.মি./ঘণ্টা
             = ৯০ কি.মি./ঘণ্টা
∴ উত্তর: ২৫ মি./সে. = ৯০ কি.মি./ঘণ্টা।
প্রশ্ন: ৪৫০ মিটার লম্বা একটি ট্রেন ১০৮ কি.মি./ঘণ্টা গতিবেগে একটি খুঁটি অতিক্রম করে। খুঁটিটি অতিক্রম করতে কত সময় লাগবে?
সমাধান:
১০৮ কি.মি./ঘণ্টা = ১০৮ × ৫১৮ মি./সে.
             = ৬ × ৫ মি./সে.
             = ৩০ মি./সে.
খুঁটি অতিক্রমের সময় = ট্রেনের দৈর্ঘ্যট্রেনের গতিবেগ
                        = ৪৫০৩০ সেকেন্ড
                        = ১৫ সেকেন্ড
∴ উত্তর: ট্রেনটির খুঁটি অতিক্রম করতে ১৫ সেকেন্ড লাগবে।
প্রশ্ন: দুটি ট্রেন বিপরীত দিকে যথাক্রমে ৯০ কি.মি./ঘণ্টা ও ৩৬ কি.মি./ঘণ্টা বেগে চলছে। তাদের দৈর্ঘ্য ১০৫ মিটার ও ১০৫ মিটার হলে পরস্পরকে অতিক্রম করতে কত সময় লাগবে?
সমাধান:
৯০ কি.মি./ঘণ্টা = ৯০ × ৫১৮ = ২৫ মি./সে.
৩৬ কি.মি./ঘণ্টা = ৩৬ × ৫১৮ = ১০ মি./সে.
বিপরীত দিকে আপেক্ষিক বেগ = ২৫ + ১০ মি./সে.
                             = ৩৫ মি./সে.
মোট দূরত্ব = ১০৫ + ১০৫ মিটার
             = ২১০ মিটার
সময় = ২১০৩৫ সেকেন্ড
        = ৬ সেকেন্ড
∴ উত্তর: ট্রেন দুটি পরস্পরকে ৬ সেকেন্ডে অতিক্রম করবে।
প্রশ্ন: স্থির জলে একটি নৌকার বেগ ১৬ কি.মি./ঘণ্টা এবং স্রোতের বেগ ৪ কি.মি./ঘণ্টা। নৌকাটি ২৪০ কি.মি. পথ স্রোতের অনুকূলে ও প্রতিকূলে গেলে পৃথকভাবে কত সময় লাগবে?
সমাধান:
অনুকূলে নৌকার বেগ = ১৬ + ৪ কি.মি./ঘণ্টা
                     = ২০ কি.মি./ঘণ্টা
অনুকূলে সময় = ২৪০২০ ঘণ্টা
             = ১২ ঘণ্টা
প্রতিকূলে নৌকার বেগ = ১৬ − ৪ কি.মি./ঘণ্টা
                      = ১২ কি.মি./ঘণ্টা
প্রতিকূলে সময় = ২৪০১২ ঘণ্টা
               = ২০ ঘণ্টা
∴ উত্তর: অনুকূলে সময় ১২ ঘণ্টা এবং প্রতিকূলে সময় ২০ ঘণ্টা।

১৫.৭ Type-৩ : মূলভাব ও বার্তা (Theme)

The central theme of “Memorization Versus Self-writing” is that students should develop the ability to write by themselves instead of depending on memorized compositions. The passage presents self-writing as a creative and confidence-building practice. This theme is supported by the statement, “The writing of composition, letters or paragraphs is a part of creative writing.”

The supporting ideas develop the theme step by step. First, the passage explains why students choose memorization: they think writing is difficult and believe memorization is easier. Next, it shows that writing improves gradually through sentence-making, collecting information, description and discussion. Finally, it explains that memorization is risky, boring and not creative, whereas self-writing can increase confidence and scores. The line “Writing develops slowly and gradually” directly supports this message.

বিশ্লেষণের কাঠামো
১) প্রথমে পুরো অনুচ্ছেদে বারবার প্রকাশিত প্রধান বক্তব্য খুঁজে নাও।
২) এরপর প্রধান বক্তব্যকে সমর্থনকারী কারণ ও ব্যাখ্যাগুলো আলাদা করো।
৩) লেখকের উদ্দেশ্য বোঝার জন্য পরামর্শমূলক বা সতর্কতামূলক বাক্য চিহ্নিত করো।
৪) ভাষার ভঙ্গি দেখে tone নির্ধারণ করো—উৎসাহ, সতর্কতা বা যুক্তি প্রকাশ পাচ্ছে কি না।
৫) শেষে প্রধান ভাব, সহায়ক ভাব এবং বার্তা একসঙ্গে সংক্ষেপে লেখো।

জেনে রাখুন: Theme হলো পুরো লেখার কেন্দ্রীয় বক্তব্য; message হলো সেই বক্তব্য থেকে পাওয়া শিক্ষা। এই রচনার tone যুক্তিনির্ভর ও উৎসাহমূলক, কারণ লেখক memorization-এর অসুবিধা দেখিয়ে self-writing-এর অনুশীলনে উৎসাহ দিয়েছেন। “It will increase our confidence and scores in a test.” বাক্যটি লেখকের ইতিবাচক উদ্দেশ্য স্পষ্ট করে। অলংকারের দিক থেকে “So to depend on memorization is like depending on luck” বাক্যে তুলনার ব্যবহার হয়েছে; এই তুলনা memorization-এর অনিশ্চয়তা বোঝায়।

সমাধানকৃত উদাহরণ
প্রশ্ন: “Memorization Versus Self-writing” রচনার মূলভাব, দুটি সহায়ক ভাব ও বার্তা লেখো।
প্রচলিত পদ্ধতি:
প্রথমে শিরোনাম ও শুরুতে আলোচিত বিষয় দেখে কেন্দ্রীয় বক্তব্য নির্ধারণ করতে হবে। এখানে বিষয় হলো memorization ও self-writing-এর তুলনা।
এরপর memorization-এর পক্ষে শিক্ষার্থীদের ধারণা এবং self-writing শেখার উপায় চিহ্নিত করতে হবে।
সবশেষে লেখকের সিদ্ধান্ত থেকে বার্তা লিখতে হবে।
শর্টকাটে: তুলনার বিষয় → memorization-এর অসুবিধা → self-writing-এর উপকার → শিক্ষামূলক বার্তা।
∴ উত্তর: মূলভাব হলো memorization-এর ওপর নির্ভর না করে নিজে লিখে সৃজনশীল লেখার দক্ষতা গড়ে তোলা। সহায়ক ভাব দুটি হলো—memorization কঠিন, বিরক্তিকর ও ঝুঁকিপূর্ণ; self-writing ধীরে ধীরে অনুশীলনের মাধ্যমে আত্মবিশ্বাস ও পরীক্ষার ফল উন্নত করে। বার্তা হলো নিয়মিত চেষ্টা করলে শিক্ষার্থী নিজে লিখতে সক্ষম হবে।
অনুশীলন প্রশ্ন ও সমাধান
প্রশ্ন: লেখক কীভাবে বোঝান যে self-writing একটি ধাপে ধাপে গড়ে ওঠা দক্ষতা? পাঠ্যাংশের প্রমাণসহ লেখো।
সমাধান: লেখক প্রথমে বলেন যে writing ধীরে ধীরে উন্নত হয়—“Writing develops slowly and gradually.” এরপর তিনি জানান, sentence তৈরি করতে পারলে এবং information চিহ্নিত করতে পারলে লেখার অগ্রগতি হয়। মানুষ, স্থান বা বিষয় বর্ণনা করার ক্ষমতাও লেখার উন্নতিতে সাহায্য করে। সহপাঠী বা শিক্ষকের সঙ্গে আলোচনা writing-কে সহজ করে—“Moreover, discussing with classmates or with teachers can make writing easier.”
∴ উত্তর: নিয়মিত ছোট ধাপের অনুশীলন, তথ্য সংগ্রহ, বর্ণনা এবং আলোচনা self-writing দক্ষতা গড়ে তোলে।

১৫.৮ Type-৩ অনুশীলন ও উত্তর

শর্টকাট পদ্ধতি
গতিবেগ = দূরত্বসময়
কি.মি./ঘণ্টা থেকে মি./সে. = কি.মি./ঘণ্টা × ৫১৮
খুঁটি অতিক্রমের সময় = ট্রেনের দৈর্ঘ্যট্রেনের গতিবেগ
সমান দূরত্বে গড় গতিবেগ = ২ × প্রথম বেগ × দ্বিতীয় বেগপ্রথম বেগ + দ্বিতীয় বেগ
উদাহরণ ১: একটি যান ৩২০ কি.মি. পথ ৪ ঘণ্টায় অতিক্রম করে। তার গতিবেগ নির্ণয় করো।
সমাধান:
গতিবেগ = দূরত্বসময়
= ৩২০৪ কি.মি./ঘণ্টা
= ৮০ কি.মি./ঘণ্টা
দ্রুত ধাপ: ৩২০ ÷ ৪ = ৮০ কি.মি./ঘণ্টা
∴ উত্তর: ৮০ কি.মি./ঘণ্টা।
উদাহরণ ২: ১০ মি./সে.-কে কি.মি./ঘণ্টায় প্রকাশ করো।
সমাধান:
প্রচলিত পদ্ধতি: ১ মি./সে. = ১৮ ÷ ৫ কি.মি./ঘণ্টা
১০ মি./সে. = ১০ × ১৮ ÷ ৫ কি.মি./ঘণ্টা
= ১৮০ ÷ ৫ কি.মি./ঘণ্টা
= ৩৬ কি.মি./ঘণ্টা
দ্রুত ধাপ: ১০ × ১৮৫ = ৩৬ কি.মি./ঘণ্টা
∴ উত্তর: ৩৬ কি.মি./ঘণ্টা।
উদাহরণ ৩: ৩০০ মিটার দীর্ঘ একটি ট্রেন ৯০ কি.মি./ঘণ্টা বেগে একটি খুঁটি অতিক্রম করে। সময় কত লাগবে?
সমাধান:
প্রথমে গতিবেগ মি./সে.: ৯০ × ৫১৮ = ২৫ মি./সে.
প্রচলিত পদ্ধতিতে সময়: সময় = দূরত্বগতিবেগ
= ৩০০ ÷ ২৫ সেকেন্ড
= ১২ সেকেন্ড
দ্রুত ধাপ: ৩০০ ÷ ২৫ = ১২ সেকেন্ড
∴ উত্তর: ১২ সেকেন্ড।
উদাহরণ ৪: ৩০০ মিটার দীর্ঘ একটি ট্রেন ৯০ কি.মি./ঘণ্টা বেগে ৪৫০ মিটার দীর্ঘ একটি প্ল্যাটফর্ম অতিক্রম করে। সময় নির্ণয় করো।
সমাধান:
ট্রেনের বেগ: ৯০ × ৫১৮ = ২৫ মি./সে.
মোট দূরত্ব: ৩০০ + ৪৫০ = ৭৫০ মিটার
প্রচলিত পদ্ধতিতে সময়: ৭৫০ ÷ ২৫ সেকেন্ড
= ৩০ সেকেন্ড
দ্রুত ধাপ: (৩০০ + ৪৫০) ÷ ২৫ = ৩০ সেকেন্ড
∴ উত্তর: ৩০ সেকেন্ড।
উদাহরণ ৫: ১৫০ মিটার দীর্ঘ দুটি ট্রেন বিপরীত দিক থেকে যথাক্রমে ৭২ কি.মি./ঘণ্টা ও ১৮ কি.মি./ঘণ্টা বেগে আসছে। তারা একে অপরকে কত সময়ে অতিক্রম করবে?
সমাধান:
প্রথম ট্রেনের বেগ: ৭২ × ৫১৮ = ২০ মি./সে.
দ্বিতীয় ট্রেনের বেগ: ১৮ × ৫১৮ = ৫ মি./সে.
আপেক্ষিক বেগ: ২০ + ৫ = ২৫ মি./সে.
মোট দূরত্ব: ১৫০ + ১৫০ = ৩০০ মিটার
সময়: ৩০০ ÷ ২৫ = ১২ সেকেন্ড
দ্রুত ধাপ: (১৫০ + ১৫০) ÷ ২৫ = ১২ সেকেন্ড
∴ উত্তর: ১২ সেকেন্ড।
উদাহরণ ৬: সমান দূরত্বে একটি যান ৯০ কি.মি./ঘণ্টা এবং ৬০ কি.মি./ঘণ্টা বেগে চলে। গড় গতিবেগ নির্ণয় করো।
সমাধান:
প্রচলিত পদ্ধতি: প্রথম ও দ্বিতীয় বেগের গুণফল = ৯০ × ৬০ = ৫৪০০
বেগের যোগফল = ৯০ + ৬০ = ১৫০
গড় গতিবেগ: ২ × ৫৪০০১৫০ = ১০৮০০১৫০ = ৭২ কি.মি./ঘণ্টা
দ্রুত ধাপ: ২ × ৯০ × ৬০ ÷ (৯০ + ৬০) = ৭২ কি.মি./ঘণ্টা
∴ উত্তর: ৭২ কি.মি./ঘণ্টা।

১৫.৯ Type-৪ : ভাষা, অলংকার ও সুর

রচনার ভাষা, অলংকার ও সুর বিশ্লেষণ করতে হলে প্রথমে মূল বিষয়টি ধরতে হয়। ‘Spring in Bangladesh’ রচনার মূল বক্তব্য হলো বসন্তের সৌন্দর্য এবং মানুষের মনে তার প্রভাব। এর প্রমাণ: “The beauty of spring is different from the rest of the seasons.” লেখকের দৃষ্টিভঙ্গি প্রশংসামূলক; কারণ তিনি বসন্তকে “the most colorful and beautiful season in Bangladesh” বলেছেন।

বিশ্লেষণের কাঠামো
১) রচনার প্রধান বিষয় বা থিম চিহ্নিত করো।
২) লেখকের দৃষ্টিভঙ্গি নির্ণয় করো—তিনি প্রশংসা, সমালোচনা নাকি নিরপেক্ষ বর্ণনা করছেন।
৩) অস্বাভাবিক বা কল্পনাময় প্রকাশ খুঁজে অলংকার শনাক্ত করো।
৪) দৃশ্য, গন্ধ, শব্দ বা অনুভূতির বর্ণনা থেকে চিত্রকল্প চিহ্নিত করো।
৫) প্রতিটি সিদ্ধান্তের পাশে পাঠ্যাংশের সংক্ষিপ্ত উদ্ধৃতি দাও।

জেনে রাখুন: যে প্রকাশে জড়বস্তুকে মানুষের কাজ করতে দেখা যায়, সেখানে ব্যক্তিত্বারোপ থাকে। যেমন, “nature puts on a lively appearance”—এখানে প্রকৃতিকে মানুষের মতো পোশাক পরতে দেখা হয়েছে। “Spring is the king of all seasons” প্রকাশে বসন্তকে রাজা বলা হয়েছে; এটি রূপকের উদাহরণ। আবার “sweet smell of flowers” এবং “wandering song of the cuckoo” পাঠকের ঘ্রাণ ও শ্রবণেন্দ্রিয়কে সক্রিয় করে; তাই এগুলো চিত্রকল্প সৃষ্টি করে।

অলংকার বা ভাষার ধরনউদাহরণকী প্রভাব ফেলে
রূপক“Spring is the king of all seasons.”বসন্তের শ্রেষ্ঠত্ব ও গুরুত্ব জোরালো করে।
ব্যক্তিত্বারোপ“nature puts on a lively appearance.”প্রকৃতিকে প্রাণবন্ত ও জীবন্ত করে তোলে।
চিত্রকল্প“sweet smell of flowers”ফুলের গন্ধের অনুভূতি পাঠকের মনে স্পষ্ট করে।
শ্রুতিচিত্র“The wandering song of the cuckoo attracts us a lot.”কোকিলের গান শুনতে পাওয়ার অনুভূতি জাগায়।

সমাধানকৃত উদাহরণ: প্রশ্ন: ‘Spring in Bangladesh’ রচনার থিম, সুর ও দুটি ভাষিক কৌশল প্রমাণসহ লেখো।
সমাধান: প্রথমে থিম: বসন্তের সৌন্দর্য ও মানুষের মনে তার প্রভাব। প্রমাণ: “It has a deep influence on our sight and mind.”
এরপর সুর: লেখকের সুর আনন্দময় ও প্রশংসামূলক। প্রমাণ: “I love it so much.”
প্রথম ভাষিক কৌশল: রূপক—“Spring is the king of all seasons.” এতে বসন্তের শ্রেষ্ঠত্ব বোঝানো হয়েছে।
দ্বিতীয় ভাষিক কৌশল: ব্যক্তিত্বারোপ—“nature puts on a lively appearance.” এতে প্রকৃতিকে জীবন্ত মনে হয়েছে।
∴ উত্তর: থিম হলো বসন্তের সৌন্দর্য ও প্রভাব; সুর প্রশংসামূলক; রূপক বসন্তের শ্রেষ্ঠত্ব এবং ব্যক্তিত্বারোপ প্রকৃতির প্রাণবন্ততা প্রকাশ করেছে।

অনুশীলন প্রশ্ন ও সমাধান: প্রশ্ন: “The wandering song of the cuckoo attracts us a lot.”—এই বাক্যটি রচনার সুর ও চিত্রকল্প কীভাবে প্রকাশ করে?
সমাধান: “wandering song” শব্দবন্ধে কোকিলের গানকে চলমান ও মধুর অনুভূতি হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এটি শ্রুতিচিত্র তৈরি করে, কারণ পাঠক কোকিলের গান শোনার অনুভূতি পায়। বাক্যটির “attracts us a lot” অংশে লেখকের আনন্দ ও প্রশংসা প্রকাশ পেয়েছে।
∴ উত্তর: বাক্যটি কোকিলের গানের শ্রুতিচিত্র সৃষ্টি করেছে এবং লেখকের আনন্দময়, প্রশংসামূলক সুর প্রকাশ করেছে।

১৫.১০ Type-৪ অনুশীলন ও উত্তর

শর্টকাট পদ্ধতি
১) গতিবেগ = দূরত্বসময়
২) ১ মি./সে. = ১৮৫ কি.মি./ঘণ্টা।
৩) খুঁটি অতিক্রমের সময় = ট্রেনের দৈর্ঘ্যট্রেনের গতিবেগ।
৪) বিপরীত দিকে আপেক্ষিক বেগ = প্রথম বেগ + দ্বিতীয় বেগ। একই দিকে আপেক্ষিক বেগ = বড় বেগ − ছোট বেগ।
৫) সমান দূরত্বে গড় গতিবেগ = ২ × প্রথম বেগ × দ্বিতীয় বেগপ্রথম বেগ + দ্বিতীয় বেগ।
উদাহরণ: একটি যান ৩২৫ কি.মি. পথ ৫ ঘণ্টায় অতিক্রম করে। যানটির গতিবেগ নির্ণয় করো।
সমাধান:
গতিবেগ = দূরত্বসময়
= ৩২৫৫
= ৬৫ কি.মি./ঘণ্টা
উত্তর: ৬৫ কি.মি./ঘণ্টা।
উদাহরণ: ৩০ মি./সে.-কে কি.মি./ঘণ্টায় প্রকাশ করো।
সমাধান:
রূপান্তরিত বেগ = ৩০ × ১৮৫
= ৩০ × ৩.৬
= ১০৮ কি.মি./ঘণ্টা
দ্রুত পদ্ধতি: ৩০ × ১৮ ÷ ৫ = ১০৮ কি.মি./ঘণ্টা; এই পদ্ধতিতে একটি সরাসরি গুণ ও ভাগেই উত্তর পাওয়া যায়।
উত্তর: ১০৮ কি.মি./ঘণ্টা।
উদাহরণ: ৩৬০ মিটার দীর্ঘ একটি ট্রেন ১০৮ কি.মি./ঘণ্টা বেগে চলে। ট্রেনটি একটি খুঁটি অতিক্রম করতে কত সময় নেবে?
সমাধান:
১০৮ কি.মি./ঘণ্টা = ১০৮ × ৫১৮ মি./সে.
= ৩০ মি./সে.
সময় = ট্রেনের দৈর্ঘ্যট্রেনের গতিবেগ
= ৩৬০ ÷ ৩০
= ১২ সেকেন্ড
দ্রুত পদ্ধতি: ৩৬০ ÷ ৩০ = ১২ সেকেন্ড; একক রূপান্তরের পর সরাসরি ভাগ করলেই সময় পাওয়া যায়।
উত্তর: ১২ সেকেন্ড।
উদাহরণ: ৩৬০ মিটার দীর্ঘ একটি ট্রেন ১০৮ কি.মি./ঘণ্টা বেগে ৫৪০ মিটার দীর্ঘ একটি প্ল্যাটফর্ম অতিক্রম করে। সময় নির্ণয় করো।
সমাধান:
ট্রেনের গতিবেগ = ১০৮ × ৫১৮ = ৩০ মি./সে.
অতিক্রম করতে মোট দূরত্ব = ৩৬০ + ৫৪০
= ৯০০ মিটার
সময় = ৯০০ ÷ ৩০
= ৩০ সেকেন্ড
দ্রুত পদ্ধতি: (৩৬০ + ৫৪০) ÷ ৩০ = ৩০ সেকেন্ড; ট্রেন ও প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ্য একসঙ্গে নিয়ে ভাগ করা হয়েছে।
উত্তর: ৩০ সেকেন্ড।
উদাহরণ: সমান দূরত্বে একটি যান ৪৫ কি.মি./ঘণ্টা ও ৩০ কি.মি./ঘণ্টা বেগে চলে। গড় গতিবেগ নির্ণয় করো।
সমাধান:
গড় গতিবেগ = ২ × ৪৫ × ৩০৪৫ + ৩০
= ২ × ১৩৫০৭৫
= ২৭০০ ÷ ৭৫
= ৩৬ কি.মি./ঘণ্টা
দ্রুত পদ্ধতি: ২ × ৪৫ × ৩০ ÷ (৪৫ + ৩০) = ৩৬ কি.মি./ঘণ্টা; প্রচলিত পদ্ধতির তুলনায় এক সূত্রেই দ্রুত সমাধান করা যায়।
উত্তর: ৩৬ কি.মি./ঘণ্টা।

১৫.১১ সাধারণ ভুল ও ফাঁদ

✦ পাঠ সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি
  • শুধু কয়েকটি বিচ্ছিন্ন তথ্য লিখে রচনা শুরু করা ঠিক নয়, কারণ “The main idea is the ‘topic’ which you are going to write about.”
  • ভূমিকায় বিষয় অস্পষ্ট রাখা ভুল, কারণ “The Introduction tells the subject of your composition and makes a clear statement about your topic.”
  • ভূমিকায় দুর্বল বা অনাকর্ষণীয় বাক্য ব্যবহার করা উচিত নয়, কারণ “The introduction should be attractive or strong enough to catch the attention of the readers.”
  • একটি মূল অনুচ্ছেদে একাধিক অসংলগ্ন ভাব রাখা ভুল, কারণ “Write one supporting idea in one paragraph.”
  • মূল অনুচ্ছেদকে প্রধান ভাব থেকে বিচ্ছিন্ন করা যাবে না, কারণ “This idea should support what is stated in the introduction.”
  • মূল অনুচ্ছেদে বিষয়বাক্য, মধ্যাংশ ও সমাপ্তি না রাখা অসম্পূর্ণ পদ্ধতি, কারণ “Each paragraph of your composition must contain a topic sentence, a middle and a conclusion.”
  • উদাহরণ ও ব্যাখ্যা বাদ দিয়ে কোনো সহায়ক ভাব উপস্থাপন করা ঠিক নয়, কারণ “Support your idea with examples and explanations as clearly as possible.”
  • উপসংহারে নতুন বিষয় শুরু করা ভুল, কারণ “The conclusion sums up what you have already written.”
  • ঘটনার সময়ক্রম না মেনে কাহিনি সাজানো narrative রচনার বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে মেলে না, কারণ “It tells a story or presents a sequence of events as they occurred in time.”
  • স্থান, ব্যক্তি বা বস্তুর বিবরণে পাঁচ ইন্দ্রিয়ের আবেদন উপেক্ষা করা descriptive রচনার উদ্দেশ্য দুর্বল করে, কারণ “This kind of paragraph appeals to our five senses.”
  • যুক্তিমূলক রচনায় কারণ ছাড়া মতামত দেওয়া যথেষ্ট নয়, কারণ persuasive রচনা “contains arguments” এবং “reasons supported by clear ideas.”
  • তথ্যভিত্তিক রচনায় কেবল মতামত না দিয়ে তথ্য, ভাব বা প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করতে হয়, কারণ “It explains facts or ideas. It also explains the process.”

১৫.১২ অতিরিক্ত অনুশীলন

এগুলো অনুশীলন প্রশ্ন; বিগত সালের প্রশ্ন নয়। প্রতিটি সমস্যায় প্রথমে প্রচলিত পদ্ধতি এবং পরে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতি দেখানো হয়েছে।
উদা. ১। ৪০০ কি.মি. পথ ৫ ঘণ্টায় অতিক্রম করলে গতিবেগ কত?
সমা. প্রচলিত পদ্ধতি:
গতিবেগ = দূরত্বসময়
        = ৪০০ ÷ ৫
        = ৮০ কি.মি./ঘণ্টা
সংক্ষিপ্ত পদ্ধতি: ৪০০ ÷ ৫ = ৮০ কি.মি./ঘণ্টা। প্রচলিত পদ্ধতিতে সূত্র লিখে ৩ ধাপ, সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে সরাসরি ১ ধাপ।
∴ উত্তর: ৮০ কি.মি./ঘণ্টা।
উদা. ২। ১০ মি./সে.-কে কি.মি./ঘণ্টায় প্রকাশ করো।
সমা. প্রচলিত পদ্ধতি:
রূপান্তরিত বেগ = ১০ × ১৮৫
        = ১০ × ৩.৬
        = ৩৬ কি.মি./ঘণ্টা
সংক্ষিপ্ত পদ্ধতি: ১০ × ১৮ ÷ ৫ = ৩৬ কি.মি./ঘণ্টা। প্রচলিত পদ্ধতিতে ৩ ধাপ, সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে ১ ধাপ।
∴ উত্তর: ৩৬ কি.মি./ঘণ্টা।
উদা. ৩। ১৮০ মিটার দীর্ঘ একটি ট্রেন ৫৪ কি.মি./ঘণ্টা বেগে একটি খুঁটি অতিক্রম করে। সময় কত?
সমা. প্রচলিত পদ্ধতি:
৫৪ কি.মি./ঘণ্টা = ৫৪ × ৫১৮ মি./সে.
        = ১৫ মি./সে.
সময় = ট্রেনের দৈর্ঘ্যট্রেনের গতিবেগ = ১৮০ ÷ ১৫
        = ১২ সেকেন্ড
সংক্ষিপ্ত পদ্ধতি: (১৮০ ÷ ১৫) = ১২ সেকেন্ড। একক রূপান্তরের পর সরাসরি ভাগ করায় ১ ধাপ কম লাগে।
∴ উত্তর: ১২ সেকেন্ড।
উদা. ৪। ১৮০ মিটার দীর্ঘ ট্রেন ৫৪ কি.মি./ঘণ্টা বেগে ২৭০ মিটার দীর্ঘ প্ল্যাটফর্ম অতিক্রম করে। সময় নির্ণয় করো।
সমা. প্রচলিত পদ্ধতি:
ট্রেনের গতিবেগ = ৫৪ × ৫ ÷ ১৮ = ১৫ মি./সে.
অতিক্রমের মোট দূরত্ব = ১৮০ + ২৭০ = ৪৫০ মিটার
সময় = ৪৫০ ÷ ১৫
        = ৩০ সেকেন্ড
সংক্ষিপ্ত পদ্ধতি: (১৮০ + ২৭০) ÷ ১৫ = ৪৫০ ÷ ১৫ = ৩০ সেকেন্ড। দৈর্ঘ্য দুটির যোগফল একবারেই নিয়ে হিসাব করা যায়।
∴ উত্তর: ৩০ সেকেন্ড।
উদা. ৫। দুটি ট্রেন বিপরীত দিকে চলে। তাদের দৈর্ঘ্য যথাক্রমে ১০৫ মিটার ও ১০৫ মিটার এবং গতিবেগ ৯০ কি.মি./ঘণ্টা ও ৩৬ কি.মি./ঘণ্টা। তারা কত সময়ে পরস্পরকে অতিক্রম করবে?
সমা. প্রচলিত পদ্ধতি:
৯০ কি.মি./ঘণ্টা = ৯০ × ৫ ÷ ১৮ = ২৫ মি./সে.
৩৬ কি.মি./ঘণ্টা = ৩৬ × ৫ ÷ ১৮ = ১০ মি./সে.
বিপরীত দিকে আপেক্ষিক বেগ = ২৫ + ১০ = ৩৫ মি./সে.
মোট দৈর্ঘ্য = ১০৫ + ১০৫ = ২১০ মিটার
সময় = ২১০ ÷ ৩৫ = ৬ সেকেন্ড
সংক্ষিপ্ত পদ্ধতি: (১০৫ + ১০৫) ÷ ৩৫ = ২১০ ÷ ৩৫ = ৬ সেকেন্ড। আপেক্ষিক বেগ আগে নির্ণয় করলেই হিসাবটি দ্রুত হয়।
∴ উত্তর: ৬ সেকেন্ড।
উদা. ৬। স্থির জলে নৌকার বেগ ১৬ কি.মি./ঘণ্টা এবং স্রোতের বেগ ৫ কি.মি./ঘণ্টা। ৪৬২ কি.মি. পথ অনুকূলে ও প্রতিকূলে যেতে সময় নির্ণয় করো।
সমা. প্রচলিত পদ্ধতি:
অনুকূলে নৌকার বেগ = ১৬ + ৫ = ২১ কি.মি./ঘণ্টা
অনুকূলে সময় = ৪৬২ ÷ ২১ = ২২ ঘণ্টা
প্রতিকূলে নৌকার বেগ = ১৬ − ৫ = ১১ কি.মি./ঘণ্টা
প্রতিকূলে সময় = ৪৬২ ÷ ১১ = ৪২ ঘণ্টা
সংক্ষিপ্ত পদ্ধতি: অনুকূলে ৪৬২ ÷ (১৬ + ৫) = ২২ ঘণ্টা; প্রতিকূলে ৪৬২ ÷ (১৬ − ৫) = ৪২ ঘণ্টা। দুটি সূত্র একসঙ্গে বসিয়ে দ্রুত উত্তর পাওয়া যায়।
∴ উত্তর: অনুকূলে ২২ ঘণ্টা এবং প্রতিকূলে ৪২ ঘণ্টা।
🧠
Finished reading? Test yourself!10 quick questions on this chapter's text · instant score and explanations
🎓
Understand every text and practise – AlphaGenEduChapter MCQs, model tests and board questions – free on alphagenedu.com
Create free account →