EPEnglishPreps Log InFree Sign Up

Letters and E-mails

English Grammar and Composition Class Six - ষষ্ঠ শ্রেণী

📝 Text Analysis🗓 2026-08-19⏱ About 19 min read
← All categoriesEnglish Conversation Courses112সপ্তম শ্রেণী27অষ্টম শ্রেণী17একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী13ষষ্ঠ শ্রেণী11দ্বিতীয় শ্রেণী9তৃতীয় শ্রেণী7French Language6প্রথম শ্রেণী5নবম ও দশম শ্রেণী2Academic English1Cambridge IELTS1English Language Courses1
📚 All chapters
Chapter 9
পাঠ পরিচিতি ও বিশ্লেষণ মানচিত্র
Letters and E-mails
৯.১ শিখনফল ও বিশ্লেষণের ধরন
✦পাঠ সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি
  • A formal letter has eight essential parts: sender’s address, date, inside address, salutation, subject line, body, closing and signature.
  • The sender’s address identifies the person or group writing the letter.
  • The inside address names the recipient and shows where the letter is being sent.
  • The subject line states the main purpose of the letter in a short and clear form.
  • The salutation is the polite greeting placed before the body of a formal letter.
  • The body gives the reason for writing and includes the necessary details or request.
  • The closing and signature complete the letter and show who has written it.
  • In full block format, all parts are aligned with the left margin and paragraphs have a double space between them.
  • In modified block format, the date and sender’s address appear at the top right, while the closing and signature appear towards the right.
  • In semi-block format, each paragraph begins with an indent instead of starting directly at the left margin.
  • A letter should use one consistent format and should not combine different layouts.
  • A genuine email must include the receiver’s email address, a subject and the message content.
  • An assignment with a stated word limit should follow that limit, while instructions such as “not more than” and “at least” must be obeyed exactly.

৯.২ বিশ্লেষণের কাঠামো

Letters and E-mails — Formula Reference
1.Formal letter order = sender’s address → date → inside address → salutation → subject line → body → closing → signature
2.Sender’s address = name and address of the person or group writing
3.Date = date of writing placed after the sender’s address
4.Inside address = recipient’s name and address
5.Salutation = polite greeting before the body
6.Subject line = short and clear statement of the main purpose
7.Body = reason for writing + necessary details or request
8.Closing and signature = polite ending + writer’s name
9.Full block format = every part aligned with the left margin + double space between paragraphs
10.Modified block format = date and sender’s address at the top right + closing and signature towards the right
11.Semi-block format = each paragraph begins with an indent
12.Genuine email = receiver’s email address + subject + message content

৯.৩ Type-১ : সারসংক্ষেপ ও ঘটনাক্রম

সারসংক্ষেপ: এই পাঠে আনুষ্ঠানিক চিঠি ও ই-মেইল লেখার গঠন, বিন্যাস এবং প্রয়োজনীয় অংশ দেখানো হয়েছে। একটি আনুষ্ঠানিক চিঠিতে প্রেরকের ঠিকানা, তারিখ, প্রাপকের ঠিকানা, সম্ভাষণ, বিষয়, মূল বক্তব্য, সমাপ্তি ও স্বাক্ষর থাকে। পাঠ্যাংশে বলা হয়েছে, “A formal letter contains some essential parts in due format/style.” ই-মেইলের ক্ষেত্রে প্রাপকের ই-মেইল ঠিকানা, বিষয় এবং বার্তার বিষয়বস্তু অবশ্যই লিখতে হয়।

বিশ্লেষণের কাঠামো: প্রথমে লেখার ধরন শনাক্ত করতে হবে—চিঠি না ই-মেইল। এরপর প্রয়োজনীয় অংশগুলো সঠিক ক্রমে সাজাতে হবে। চিঠির বিন্যাস একটিই অনুসরণ করতে হবে: পূর্ণ ব্লক বিন্যাসে সব অংশ বাম মার্জিনে থাকবে, পরিবর্তিত ব্লক বিন্যাসে তারিখ ও প্রেরকের ঠিকানা ডানদিকে থাকবে, আর অর্ধ-ব্লক বিন্যাসে অনুচ্ছেদের শুরুতে ভেতরের ফাঁক থাকবে। প্রমাণ হিসেবে পাঠ্যাংশে আছে, “Students are free to write their letters in any format/style but they should not use a combination of different formats/layouts in the same letter.”

শর্টকাট পদ্ধতি
চিঠি: প্রেরকের ঠিকানা → তারিখ → প্রাপকের ঠিকানা → সম্ভাষণ → বিষয় → মূল বক্তব্য → সমাপ্তি → স্বাক্ষর।
ই-মেইল: প্রাপকের ই-মেইল ঠিকানা → বিষয় → বার্তার বিষয়বস্তু।
প্রচলিত পদ্ধতিতে প্রতিটি অংশ আলাদা করে মিলিয়ে নিতে হবে; দ্রুত পদ্ধতিতে তীরচিহ্নের ক্রমটি দেখে কোনো অংশ বাদ পড়েছে কি না যাচাই করা যায়।

সমাধানকৃত উদাহরণ: ধরা যাক, একজন শিক্ষার্থী কোনো প্রতিষ্ঠানের কাছে একটি কোর্স সম্পর্কে তথ্য জানতে ই-মেইল লিখবে। প্রচলিত পদ্ধতিতে প্রথমে প্রাপকের ঠিকানা, পরে বিষয় এবং শেষে মূল বার্তা খুঁজে নিতে হবে। দ্রুত পদ্ধতিতে ক্রমটি হবে: প্রাপকের ই-মেইল ঠিকানা → কোর্স সম্পর্কে তথ্য চাওয়ার বিষয় → তথ্য চেয়ে লেখা বার্তা। তাই ই-মেইলটি পূর্ণ হবে, কারণ পাঠ্যাংশের নিয়ম অনুযায়ী “For emails, student must write the email id, subject, and content as written in a genuine email.”

ক্রমঘটনাগুরুত্ব
১প্রেরকের নাম ও ঠিকানা লেখাকে চিঠি লিখছে তা বোঝায়
২তারিখ লেখাচিঠি লেখার সময় জানায়
৩প্রাপকের ঠিকানা লেখাচিঠি কার কাছে যাচ্ছে তা জানায়
৪সম্ভাষণ ও বিষয় লেখাভদ্র সূচনা ও লেখার উদ্দেশ্য প্রকাশ করে
৫মূল বক্তব্য লেখাকারণ, প্রয়োজনীয় তথ্য বা অনুরোধ জানায়
৬সমাপ্তি ও স্বাক্ষর যোগ করালেখকের পরিচয় ও ভদ্র সমাপ্তি নিশ্চিত করে
৭ই-মেইলে প্রাপকের ই-মেইল ঠিকানা, বিষয় ও বার্তা লেখাই-মেইলকে প্রকৃত ও সম্পূর্ণ রূপ দেয়

অনুশীলন প্রশ্ন ও সমাধান: প্রশ্ন: আনুষ্ঠানিক চিঠির আটটি অংশ সঠিক ক্রমে লেখো।
সমাধান: প্রেরকের ঠিকানা → তারিখ → প্রাপকের ঠিকানা → সম্ভাষণ → বিষয় → মূল বক্তব্য → সমাপ্তি → স্বাক্ষর।

  • একই চিঠিতে ভিন্ন ভিন্ন বিন্যাস একসঙ্গে ব্যবহার করা যাবে না।
  • নির্ধারিত শব্দসীমা এবং “not more than” বা “at least” নির্দেশনা যথাযথভাবে মানতে হবে।
  • চিঠি ও ই-মেইল—উভয় ক্ষেত্রেই পরিচ্ছন্ন মার্জিন, অনুচ্ছেদ ও সুশৃঙ্খল বিন্যাস গুরুত্বপূর্ণ।
৯.৪ Type-১ অনুশীলন ও উত্তর
প্রশ্ন ১: আনুষ্ঠানিক চিঠির আটটি অংশ সঠিক ক্রমে লেখো।
শর্টকাট পদ্ধতি
প্রেরকের ঠিকানা → তারিখ → প্রাপকের ঠিকানা → সম্ভাষণ → বিষয় → মূল বক্তব্য → সমাপ্তি → স্বাক্ষর
জেনে রাখুন
প্রচলিত পদ্ধতিতে চিঠির প্রতিটি অংশের কাজ মিলিয়ে ক্রম সাজাতে হয়। প্রেরকের ঠিকানা লেখককে শনাক্ত করে, তারিখ লেখার সময় জানায় এবং প্রাপকের ঠিকানা চিঠি কোথায় যাচ্ছে তা প্রকাশ করে। এরপর ভদ্র সম্ভাষণ, সংক্ষিপ্ত বিষয়, মূল বক্তব্য, সমাপ্তি ও স্বাক্ষর বসে। পাঠ্যাংশের প্রমাণ: “একটি আনুষ্ঠানিক চিঠিতে প্রেরকের ঠিকানা, তারিখ, প্রাপকের ঠিকানা, সম্ভাষণ, বিষয়, মূল বক্তব্য, সমাপ্তি ও স্বাক্ষর থাকে।”
সমাধান
প্রচলিত পদ্ধতিতে—
১. প্রথমে লেখক বা প্রতিষ্ঠানের নাম ও ঠিকানা লিখতে হবে।
২. তার পরের অংশে চিঠি লেখার তারিখ থাকবে।
৩. এরপর প্রাপকের নাম ও ঠিকানা লিখতে হবে।
৪. মূল বক্তব্যের আগে ভদ্র সম্ভাষণ বসবে।
৫. বিষয় লাইনে চিঠির উদ্দেশ্য সংক্ষেপে জানাতে হবে।
৬. মূল বক্তব্যে কারণ, প্রয়োজনীয় তথ্য বা অনুরোধ লিখতে হবে।
৭. শেষে ভদ্র সমাপ্তি লিখতে হবে।
৮. সবশেষে লেখকের স্বাক্ষর বা নাম থাকবে।
দ্রুত পদ্ধতিতে তীরচিহ্নের ক্রমটি একবার দেখলেই কোনো অংশ বাদ পড়েছে কি না বোঝা যায়।
∴ উত্তর: প্রেরকের ঠিকানা → তারিখ → প্রাপকের ঠিকানা → সম্ভাষণ → বিষয় → মূল বক্তব্য → সমাপ্তি → স্বাক্ষর।
প্রশ্ন ২: একটি প্রকৃত ই-মেইলে কোন তিনটি বিষয় অবশ্যই থাকতে হবে?
শর্টকাট পদ্ধতি
প্রাপকের ই-মেইল ঠিকানা → বিষয় → বার্তার বিষয়বস্তু
জেনে রাখুন
প্রচলিত পদ্ধতিতে প্রথমে দেখতে হবে বার্তাটি কার কাছে পাঠানো হচ্ছে। তারপর বিষয় লাইনে উদ্দেশ্য আছে কি না এবং শেষে সম্পূর্ণ বার্তা লেখা হয়েছে কি না যাচাই করতে হবে। পাঠ্যাংশের প্রমাণ: “ই-মেইলের ক্ষেত্রে প্রাপকের ই-মেইল ঠিকানা, বিষয় এবং বার্তার বিষয়বস্তু অবশ্যই লিখতে হয়।”
সমাধান
প্রচলিত পদ্ধতিতে—
১. প্রাপকের ই-মেইল ঠিকানা লিখতে হবে, যাতে বার্তাটি সঠিক ব্যক্তির কাছে যায়।
২. বিষয় লিখতে হবে, যাতে বার্তার মূল উদ্দেশ্য সংক্ষেপে বোঝা যায়।
৩. বার্তার বিষয়বস্তু লিখতে হবে, যাতে প্রয়োজনীয় কথা বা অনুরোধ প্রকাশ পায়।
দ্রুত পদ্ধতিতে তিনটি শব্দ মনে রাখা যায়: ঠিকানা, বিষয়, বার্তা। এই তিনটির কোনো একটি না থাকলে ই-মেইলটি পূর্ণ হবে না।
∴ উত্তর: প্রাপকের ই-মেইল ঠিকানা, বিষয় এবং বার্তার বিষয়বস্তু।
প্রশ্ন ৩: পূর্ণ ব্লক, পরিবর্তিত ব্লক ও অর্ধ-ব্লক বিন্যাসের পার্থক্য লেখো।
শর্টকাট পদ্ধতি
পূর্ণ ব্লক = সব অংশ বামে → পরিবর্তিত ব্লক = তারিখ ও প্রেরকের ঠিকানা ডানে → অর্ধ-ব্লক = অনুচ্ছেদের শুরুতে ভেতরের ফাঁক
জেনে রাখুন
প্রচলিত পদ্ধতিতে প্রতিটি বিন্যাসের অবস্থান আলাদা করে মনে রাখতে হবে। পূর্ণ ব্লকে পুরো চিঠি বাম মার্জিনে থাকে এবং অনুচ্ছেদের মধ্যে দ্বিগুণ ফাঁক থাকে। পরিবর্তিত ব্লকে তারিখ ও প্রেরকের ঠিকানা ওপরের ডানদিকে থাকে; সমাপ্তি ও স্বাক্ষরও ডানদিকে যায়। অর্ধ-ব্লকে প্রতিটি অনুচ্ছেদের শুরুতে ভেতরের ফাঁক থাকে। পাঠ্যাংশের প্রমাণ: “Students are free to write their letters in any format/style but they should not use a combination of different formats/layouts in the same letter.”
বিন্যাসপ্রধান বৈশিষ্ট্য
পূর্ণ ব্লকসব অংশ বাম মার্জিনে; অনুচ্ছেদের মধ্যে দ্বিগুণ ফাঁক
পরিবর্তিত ব্লকতারিখ ও প্রেরকের ঠিকানা ওপরের ডানদিকে; সমাপ্তি ও স্বাক্ষর ডানদিকে
অর্ধ-ব্লকপ্রতিটি অনুচ্ছেদের শুরুতে ভেতরের ফাঁক
সমাধান
১. পূর্ণ ব্লক বিন্যাসে চিঠির সব অংশ বাম মার্জিনে সাজানো হয় এবং অনুচ্ছেদের মধ্যে দ্বিগুণ ফাঁক রাখা হয়।
২. পরিবর্তিত ব্লক বিন্যাসে তারিখ ও প্রেরকের ঠিকানা ওপরের ডানদিকে থাকে। সমাপ্তি ও স্বাক্ষরও ডানদিকে থাকে।
৩. অর্ধ-ব্লক বিন্যাসে প্রতিটি অনুচ্ছেদের শুরুতে ভেতরের ফাঁক থাকে।
৪. একটি চিঠিতে একই বিন্যাস ধারাবাহিকভাবে ব্যবহার করতে হবে; ভিন্ন বিন্যাস মেশানো যাবে না।
দ্রুত পদ্ধতিতে অবস্থান দেখে শনাক্ত করা যায়: সব বামে হলে পূর্ণ ব্লক, ওপরের ডানদিকে তারিখ ও প্রেরকের ঠিকানা হলে পরিবর্তিত ব্লক, আর অনুচ্ছেদের শুরুতে ফাঁক হলে অর্ধ-ব্লক।
∴ উত্তর: তিনটি বিন্যাসের পার্থক্য তাদের অংশগুলোর অবস্থান ও অনুচ্ছেদের বিন্যাসে।
প্রশ্ন ৪: নির্ধারিত শব্দসীমা ও “not more than” এবং “at least” নির্দেশনার নিয়ম ব্যাখ্যা করো।
শর্টকাট পদ্ধতি
সাধারণ শব্দসীমা = প্রায় ১০% কম বা বেশি গ্রহণযোগ্য; “not more than” = সীমা অতিক্রম নয়; “at least” = সীমার কম নয়
জেনে রাখুন
প্রচলিত পদ্ধতিতে প্রথমে নির্দেশনার ভাষা পড়তে হবে। সাধারণ শব্দসীমায় প্রায় দশ শতাংশ কম বা বেশি লেখা গ্রহণযোগ্য হতে পারে। কিন্তু “not more than” থাকলে নির্দিষ্ট সংখ্যার বেশি লেখা যাবে না। “at least” থাকলে নির্দিষ্ট সংখ্যার সমান বা তার বেশি লিখতে হবে। পাঠ্যাংশের প্রমাণ: “We need to be careful about the word limit.”
সমাধান
১. সাধারণভাবে ২০০ শব্দের কাজ হলে প্রায় ১০% কম বা বেশি লেখা গ্রহণযোগ্য হতে পারে।
২. ২০০ শব্দের ১০% = ২০ শব্দ।
৩. তাই সাধারণ ২০০ শব্দের কাজে গ্রহণযোগ্য পরিসর হতে পারে ১৮০ থেকে ২২০ শব্দ।
৪. যদি নির্দেশ থাকে “not more than 200 words”, তাহলে ২০০ শব্দের বেশি লেখা যাবে না।
৫. যদি নির্দেশ থাকে “at least 200 words”, তাহলে কমপক্ষে ২০০ শব্দ লিখতে হবে।
দ্রুত পদ্ধতিতে নির্দেশনার সংকেত মনে রাখো: “not more than” মানে সর্বোচ্চ সীমা, আর “at least” মানে সর্বনিম্ন সীমা।
∴ উত্তর: শব্দসীমার নির্দেশনা মনোযোগ দিয়ে পড়ে সাধারণ সীমায় প্রায় ১০% কম-বেশি রাখা যায়; তবে “not more than” ও “at least” নির্দেশনা নির্দিষ্ট সীমা অনুযায়ী হুবহু মানতে হবে।

৯.৫ Type-২ : চরিত্র বিশ্লেষণ

চরিত্র বিশ্লেষণ: এই পাঠে কাহিনির মতো বিস্তৃত চরিত্র নেই; চিঠি ও ই-মেইলের লেখক এবং প্রাপক তাঁদের কাজের মাধ্যমে পরিচিত হয়। তাই চরিত্র বিশ্লেষণে কে লিখছে, কেন লিখছে, কীভাবে লিখছে এবং তার লেখায় কোন বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পাচ্ছে—এসব খুঁজে দেখতে হবে।

শর্টকাট পদ্ধতি
চরিত্র শনাক্ত করো → তার ভূমিকা লেখো → বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করো → পাঠ্যাংশের সংক্ষিপ্ত প্রমাণ দাও → শেষে চরিত্রটির গুরুত্ব লেখো।

জেনে রাখুন: প্রচলিত পদ্ধতিতে প্রথমে চিঠি বা ই-মেইলের লেখককে শনাক্ত করতে হবে। এরপর লেখার উদ্দেশ্য দেখে তার বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করতে হবে। যেমন, তথ্য চাওয়া হলে লেখককে উদ্দেশ্যনিষ্ঠ বলা যায়; সঠিক ঠিকানা, বিষয় ও বার্তা রাখলে তাকে নিয়মসচেতন বলা যায়। প্রমাণ হিসেবে পাঠ্যাংশের বক্তব্য ব্যবহার করতে হবে, ব্যক্তিগত মতামত নয়।

চরিত্রবৈশিষ্ট্যপাঠ্যাংশের প্রমাণ
শিক্ষার্থী বা চিঠির লেখকউদ্দেশ্যনিষ্ঠ ও নিয়মসচেতন“প্রথমে প্রাপকের ঠিকানা, পরে বিষয় এবং শেষে মূল বার্তা খুঁজে নিতে হবে।”
প্রাপক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানযোগাযোগের লক্ষ্য“একজন শিক্ষার্থী কোনো প্রতিষ্ঠানের কাছে একটি কোর্স সম্পর্কে তথ্য জানতে ই-মেইল লিখবে।”
লেখার নির্দেশদাতা শিক্ষকসুশৃঙ্খল লেখার প্রতি মনোযোগী“চিঠি ও ই-মেইল—উভয় ক্ষেত্রেই পরিচ্ছন্ন মার্জিন, অনুচ্ছেদ ও সুশৃঙ্খল বিন্যাস গুরুত্বপূর্ণ।”

সমাধানকৃত উদাহরণ: কোর্স সম্পর্কে তথ্য জানতে ই-মেইল লেখা শিক্ষার্থীর চরিত্র বিশ্লেষণ করো। প্রচলিত পদ্ধতিতে প্রথমে দেখা যায়, শিক্ষার্থী একটি প্রতিষ্ঠানের কাছে তথ্য চাইছে। এতে তার উদ্দেশ্য স্পষ্ট। এরপর ই-মেইলের প্রয়োজনীয় অংশ সঠিকভাবে রাখার নিয়ম থেকে তার নিয়মসচেতনতা বোঝা যায়। পাঠ্যাংশের প্রমাণ হলো, “ই-মেইলের ক্ষেত্রে প্রাপকের ই-মেইল ঠিকানা, বিষয় এবং বার্তার বিষয়বস্তু অবশ্যই লিখতে হয়।” তাই শিক্ষার্থীকে উদ্দেশ্যনিষ্ঠ, নিয়মসচেতন এবং যোগাযোগে আগ্রহী চরিত্র হিসেবে বিশ্লেষণ করা যায়। শর্টকাটে উত্তরটি হবে—তথ্য চাওয়া → উদ্দেশ্যনিষ্ঠ; তিনটি প্রয়োজনীয় অংশ রাখা → নিয়মসচেতন।

অনুশীলন প্রশ্ন ও সমাধান:
প্রশ্ন: আনুষ্ঠানিক চিঠির লেখকের দুটি বৈশিষ্ট্য লেখো এবং প্রতিটির পক্ষে পাঠ্যাংশের প্রমাণ দাও।
সমাধান:
১. লেখক নিয়মসচেতন, কারণ চিঠির অংশগুলো নির্দিষ্ট ক্রমে সাজাতে হয়।
প্রমাণ: “আনুষ্ঠানিক চিঠির আটটি অংশ সঠিক ক্রমে লেখো।”
২. লেখক ভদ্র ও উদ্দেশ্যনিষ্ঠ, কারণ চিঠিতে সম্ভাষণ, বিষয় এবং মূল বক্তব্য থাকে।
প্রমাণ: “এরপর ভদ্র সম্ভাষণ, সংক্ষিপ্ত বিষয়, মূল বক্তব্য, সমাপ্তি ও স্বাক্ষর বসে।”
∴ উত্তর: আনুষ্ঠানিক চিঠির লেখক নিয়মসচেতন, ভদ্র ও উদ্দেশ্যনিষ্ঠ।
৯.৬ Type-২ অনুশীলন ও উত্তর
সমাধানকৃত উদাহরণসমূহ
Ex. একটি যান ২৫০ কি.মি. পথ ৫ ঘণ্টায় অতিক্রম করে। তার গতিবেগ নির্ণয় করো।
Sol:
গতিবেগ = দূরত্বসময়
গতিবেগ = ২৫০ ÷ ৫
গতিবেগ = ৫০ কি.মি./ঘণ্টা
∴ Ans. গতিবেগ = ৫০ কি.মি./ঘণ্টা।
Ex. ১০ মি./সে.-কে কি.মি./ঘণ্টায় রূপান্তর করো।
Sol:
১০ মি./সে. = ১০ × ১৮৫ কি.মি./ঘণ্টা
১০ মি./সে. = ১০ × ৩.৬ কি.মি./ঘণ্টা
১০ মি./সে. = ৩৬ কি.মি./ঘণ্টা
∴ Ans. ১০ মি./সে. = ৩৬ কি.মি./ঘণ্টা।
Ex. ৩৭৫ মিটার দীর্ঘ একটি ট্রেন ৯০ কি.মি./ঘণ্টা গতিবেগে একটি খুঁটি অতিক্রম করে। সময় নির্ণয় করো।
Sol:
৯০ কি.মি./ঘণ্টা = ৯০ × ৫১৮ মি./সে.
ট্রেনের গতিবেগ = ২৫ মি./সে.
সময় = দূরত্বগতিবেগ
সময় = ৩৭৫ ÷ ২৫
সময় = ১৫ সেকেন্ড
∴ Ans. খুঁটি অতিক্রমে সময় = ১৫ সেকেন্ড।
Ex. একটি নৌকার স্থির জলে গতিবেগ ১৫ কি.মি./ঘণ্টা এবং স্রোতের গতিবেগ ৩ কি.মি./ঘণ্টা। ৪৩২ কি.মি. পথ অনুকূলে যেতে কত সময় লাগবে?
Sol:
অনুকূল স্রোতে বেগ = ১৫ + ৩
অনুকূল স্রোতে বেগ = ১৮ কি.মি./ঘণ্টা
সময় = ৪৩২১৮
সময় = ২৪ ঘণ্টা
∴ Ans. অনুকূলে যেতে সময় = ২৪ ঘণ্টা।

৯.৭ Type-৩ : মূলভাব ও বার্তা (Theme)

এই পাঠের মূলভাব হলো—আনুষ্ঠানিক চিঠি ও ই-মেইল সুশৃঙ্খলভাবে, সঠিক অংশ ও উপযুক্ত বিন্যাস মেনে লিখতে হয়। পাঠ্যাংশের প্রমাণ: “এই পাঠে আনুষ্ঠানিক চিঠি ও ই-মেইল লেখার গঠন, বিন্যাস এবং প্রয়োজনীয় অংশ দেখানো হয়েছে।” তাই পাঠটির কেন্দ্রীয় বার্তা শুধু লেখা তৈরি করা নয়; বরং লেখার উদ্দেশ্য স্পষ্ট করা এবং প্রয়োজনীয় তথ্য যথাস্থানে দেওয়া।

এর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপ-বিষয় হলো পরিচ্ছন্ন ও একরূপ বিন্যাস। চিঠিতে পূর্ণ ব্লক, পরিবর্তিত ব্লক বা অর্ধ-ব্লক—যে কোনো একটি ধরন বেছে নিয়ে পুরো লেখায় তা অনুসরণ করতে হবে। পাঠ্যাংশে বলা হয়েছে, “একই চিঠিতে ভিন্ন ভিন্ন বিন্যাস একসঙ্গে ব্যবহার করা যাবে না।” ই-মেইলের ক্ষেত্রেও প্রাপকের ঠিকানা, বিষয় এবং বার্তার বিষয়বস্তু সম্পূর্ণ থাকা জরুরি।

পাঠটির সুর নির্দেশনামূলক ও নিয়মভিত্তিক, কারণ এতে লেখার অংশ, বিন্যাস, মার্জিন এবং শব্দসীমা সম্পর্কে স্পষ্ট পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাঠ্যাংশের প্রমাণ: “চিঠি ও ই-মেইল—উভয় ক্ষেত্রেই পরিচ্ছন্ন মার্জিন, অনুচ্ছেদ ও সুশৃঙ্খল বিন্যাস গুরুত্বপূর্ণ।” মূলভাব নির্ণয়ের সময় বারবার প্রকাশিত ধারণা, লেখকের নির্দেশ এবং তার পক্ষে থাকা সংক্ষিপ্ত উদ্ধৃতি খুঁজে নিতে হবে।

বিশ্লেষণের কাঠামো
শর্টকাট পদ্ধতি: বিষয় শনাক্ত করো → বারবার আসা ধারণা খুঁজে নাও → মূলভাব লেখো → উপ-বিষয় নির্ধারণ করো → পাঠ্যাংশের সংক্ষিপ্ত উদ্ধৃতি দাও → লেখার বার্তা প্রকাশ করো।

সমাধানকৃত উদাহরণ: প্রশ্ন: পাঠটির মূলভাব ও দুটি উপ-বিষয় লেখো। প্রচলিত পদ্ধতিতে প্রথমে দেখা যায়, পাঠে চিঠি ও ই-মেইলের গঠন এবং প্রয়োজনীয় অংশ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এরপর বিন্যাস ও নিয়ম মানার ওপর দেওয়া নির্দেশগুলো মিলিয়ে মূলভাব নির্ধারণ করতে হয়। উত্তর: মূলভাব হলো—চিঠি ও ই-মেইল সঠিক গঠন, পরিষ্কার বিন্যাস এবং নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে লিখতে হয়। উপ-বিষয় হলো—চিঠির বিন্যাস একরূপ রাখা এবং ই-মেইলে প্রাপকের ঠিকানা, বিষয় ও বার্তা লেখা। বার্তা হলো—সুশৃঙ্খল ও সম্পূর্ণ লেখা যোগাযোগকে কার্যকর করে।

  • অনুশীলন প্রশ্ন: “নির্ধারিত শব্দসীমা এবং “not more than” বা “at least” নির্দেশনা যথাযথভাবে মানতে হবে”—এই বক্তব্য থেকে কী বার্তা পাওয়া যায়?
  • সমাধান: লেখার নির্ধারিত সীমা ও নির্দেশনা অবহেলা করা যাবে না; কাজটি দেওয়া শর্ত অনুযায়ী সম্পূর্ণ করতে হবে।
৯.৮ Type-৩ অনুশীলন ও উত্তর
মূলভাব ও বার্তা নির্ণয়
বিশ্লেষণের কাঠামো
বিষয় শনাক্ত করো → বারবার প্রকাশিত ধারণা খুঁজে নাও → লেখকের নির্দেশ লক্ষ করো → মূলভাব লেখো → উপ-বিষয় নির্ধারণ করো → পাঠ্যাংশের সংক্ষিপ্ত প্রমাণ দাও → পাঠের বার্তা প্রকাশ করো
জেনে রাখুন
মূলভাব হলো পাঠের প্রধান বক্তব্য। উপ-বিষয় হলো সেই বক্তব্যের গুরুত্বপূর্ণ দিক। বার্তা হলো পাঠ থেকে পাওয়া নির্দেশ বা শিক্ষা। উত্তর লেখার সময় প্রথমে পাঠের বিষয় উল্লেখ করতে হবে, তারপর তার প্রধান নিয়ম বা ধারণা ব্যাখ্যা করে একটি সংক্ষিপ্ত প্রমাণ দিতে হবে।
পাঠ্যাংশের প্রমাণ: “এই পাঠে আনুষ্ঠানিক চিঠি ও ই-মেইল লেখার গঠন, বিন্যাস এবং প্রয়োজনীয় অংশ দেখানো হয়েছে।”
সমাধানকৃত উদাহরণ
প্রশ্ন: পাঠটির মূলভাব, দুটি উপ-বিষয় এবং কেন্দ্রীয় বার্তা লেখো।
প্রচলিত পদ্ধতিতে—
১. পাঠে আনুষ্ঠানিক চিঠি ও ই-মেইলের গঠন নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
২. চিঠির প্রয়োজনীয় অংশ ও বিভিন্ন বিন্যাসের নিয়ম আলাদা করে খুঁজে নিতে হবে।
৩. ই-মেইলের সম্পূর্ণতার জন্য প্রাপকের ঠিকানা, বিষয় ও বার্তার কথা উল্লেখ করতে হবে।
৪. সব ধারণা মিলিয়ে একটি সংক্ষিপ্ত মূলভাব ও বার্তা লিখতে হবে।
উত্তর: পাঠটির মূলভাব হলো—আনুষ্ঠানিক চিঠি ও ই-মেইল সঠিক গঠন, প্রয়োজনীয় অংশ এবং পরিষ্কার বিন্যাস মেনে লিখতে হয়। দুটি উপ-বিষয় হলো—চিঠির আটটি অংশ সঠিক ক্রমে সাজানো এবং একই চিঠিতে একটি মাত্র বিন্যাস অনুসরণ করা। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, প্রকৃত ই-মেইলে প্রাপকের ই-মেইল ঠিকানা, বিষয় ও বার্তা থাকা। কেন্দ্রীয় বার্তা হলো—সুশৃঙ্খল ও সম্পূর্ণ লেখা যোগাযোগকে কার্যকর করে।
পাঠ্যাংশের প্রমাণ: “চিঠি ও ই-মেইল—উভয় ক্ষেত্রেই পরিচ্ছন্ন মার্জিন, অনুচ্ছেদ ও সুশৃঙ্খল বিন্যাস গুরুত্বপূর্ণ।”
শর্টকাটে: বিষয় → প্রধান নিয়ম → প্রয়োজনীয় অংশ → বিন্যাস → বার্তা। এই ক্রম অনুসরণ করলে দীর্ঘ পাঠ থেকেও মূল বক্তব্য দ্রুত নির্ণয় করা যায়।
শর্টকাট পদ্ধতি
চিঠি ও ই-মেইল লেখার নিয়ম → অংশগুলোর সঠিক ব্যবহার → একরূপ বিন্যাস → শব্দসীমা মানা → সম্পূর্ণ ও সুশৃঙ্খল যোগাযোগ
অনুশীলন প্রশ্ন ও সমাধান
প্রশ্ন ১: পাঠে চিঠির গঠনকে কেন গুরুত্বপূর্ণ বলা হয়েছে?
প্রচলিত পদ্ধতিতে সমাধান: পাঠে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠির আটটি অংশের কথা বলা হয়েছে। এই অংশগুলো সঠিক ক্রমে থাকলে চিঠির লেখক, তারিখ, প্রাপক, উদ্দেশ্য, বক্তব্য এবং সমাপ্তি পরিষ্কারভাবে বোঝা যায়। তাই চিঠির গঠন ঠিক রাখা পাঠটির একটি প্রধান বিষয়।
শর্টকাটে উত্তর: আটটি প্রয়োজনীয় অংশ সঠিক ক্রমে সাজানোই আনুষ্ঠানিক চিঠির গঠনের মূল নিয়ম।
প্রমাণ: “An ideal formal letter should have the following eight parts”
প্রশ্ন ২: একই চিঠিতে ভিন্ন বিন্যাস মেশানো উচিত নয়—এই বক্তব্যের ভাব কী?
প্রচলিত পদ্ধতিতে সমাধান: পাঠে পূর্ণ ব্লক, পরিবর্তিত ব্লক ও অর্ধ-ব্লক—এই তিন ধরনের বিন্যাসের বৈশিষ্ট্য দেখানো হয়েছে। প্রতিটি বিন্যাসে অংশগুলোর অবস্থান আলাদা। তাই একটি চিঠিতে এক ধরনের বিন্যাস বেছে নিয়ে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সেটিই অনুসরণ করলে লেখা সুসংগঠিত থাকে।
শর্টকাটে উত্তর: একটি চিঠি → একটি বিন্যাস → সম্পূর্ণ লেখায় একই নিয়ম।
প্রমাণ: “they should not use a combination of different formats/layouts in the same letter.”
প্রশ্ন ৩: একটি প্রকৃত ই-মেইল সম্পর্কে পাঠের প্রধান বার্তা কী?
প্রচলিত পদ্ধতিতে সমাধান: প্রথমে দেখতে হবে ই-মেইলটি কার কাছে পাঠানো হচ্ছে। এরপর বিষয় লাইনে উদ্দেশ্য আছে কি না এবং শেষে সম্পূর্ণ বার্তা লেখা হয়েছে কি না যাচাই করতে হবে। এই তিনটি অংশ থাকলেই ই-মেইলটি প্রকৃত ও পূর্ণাঙ্গ হয়।
শর্টকাটে উত্তর: প্রাপকের ঠিকানা + বিষয় + বার্তার বিষয়বস্তু = সম্পূর্ণ ই-মেইল।
প্রমাণ: “For emails, students must write the email id, subject, and content as written in a genuine email.”
প্রশ্ন ৪: শব্দসীমা ও পরিচ্ছন্ন বিন্যাস মানার গুরুত্ব কী?
প্রচলিত পদ্ধতিতে সমাধান: পাঠে বলা হয়েছে, সাধারণ শব্দসীমায় কিছুটা কম-বেশি গ্রহণযোগ্য হলেও “not more than” থাকলে নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করা যাবে না এবং “at least” থাকলে ন্যূনতম সীমা পূরণ করতে হবে। একই সঙ্গে মার্জিন, অনুচ্ছেদ ও গোছানো বিন্যাসের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তাই লেখককে বিষয়বস্তুর পাশাপাশি দেওয়া নির্দেশনাও মেনে চলতে হবে।
শর্টকাটে উত্তর: শব্দসীমা মানো + মার্জিন রাখো + অনুচ্ছেদ সাজাও = নিয়মসম্মত লেখা।
প্রমাণ: “We need to be careful about the word limit.”
মনে রাখার সারাংশ
মূলভাব লিখতে বিষয় ও বারবার আসা নিয়ম খুঁজে নাও। উপ-বিষয় হিসেবে চিঠির অংশ, বিন্যাস এবং ই-মেইলের আবশ্যিক উপাদান উল্লেখ করো। শেষে পাঠের নির্দেশনামূলক বার্তা এক বা দুই বাক্যে প্রকাশ করো।

৯.৯ Type-৪ : ভাষা, অলংকার ও সুর

এই পাঠের ভাষা মূলত নির্দেশনামূলক ও ব্যবহারিক। এখানে আনুষ্ঠানিক চিঠি ও প্রকৃত ই-মেইল লেখার নিয়ম, অংশ এবং বিন্যাস স্পষ্টভাবে বোঝানো হয়েছে। তাই লেখকের সুরকে শিক্ষামূলক, সতর্কতামূলক এবং নিয়মকেন্দ্রিক বলা যায়। এর প্রমাণ: “We need to be careful about the word limit.” এই বাক্যে সতর্ক থাকার নির্দেশ প্রকাশ পেয়েছে।

বিশ্লেষণের কাঠামো
প্রথমে লেখকের উদ্দেশ্য চিহ্নিত করো → এরপর বারবার ব্যবহৃত নির্দেশ ও সতর্কতা খুঁজে নাও → তারপর ভাষার সুর নির্ণয় করো → শেষে পাঠকের প্রতি লেখকের দৃষ্টিভঙ্গি ব্যাখ্যা করো।

সমাধানকৃত উদাহরণ: “Students are free to write their letters in any format/style but they should not use a combination of different formats/layouts in the same letter.” প্রচলিত পদ্ধতিতে প্রথমে ‘free’ শব্দটি দেখে বোঝা যায় যে শিক্ষার্থীকে কিছু স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে। পরে ‘should not’ অংশটি দেখে বোঝা যায়, সেই স্বাধীনতারও একটি সীমা আছে। তাই এই বক্তব্যের সুর হলো ভারসাম্যপূর্ণ নির্দেশনা: লেখার ধরন বেছে নেওয়ার সুযোগ আছে, কিন্তু একই চিঠিতে ভিন্ন বিন্যাস মেশানো যাবে না। শর্টকাটে সূত্রটি হলো: স্বাধীনতা + সীমা = ভারসাম্যপূর্ণ শিক্ষামূলক সুর।

পাঠ্যাংশে উপমা, রূপক, ব্যক্তিত্বারোপ বা চিত্রকল্পের কোনো নির্দিষ্ট উদাহরণ দেওয়া নেই। তাই অলংকারের প্রভাব সম্পর্কে অনুমান করা যাবে না। এই পাঠে ভাষার প্রধান শক্তি অলংকার নয়; বরং ক্রম, সংক্ষিপ্ত নির্দেশ, সতর্কতা এবং পরিষ্কার বিন্যাস। পাঠের দৃষ্টিভঙ্গি শিক্ষার্থীবান্ধব, কারণ নিয়মের পাশাপাশি কীভাবে সঠিকভাবে লিখতে হবে তাও দেখানো হয়েছে। প্রমাণ: “For emails, student must write the email id, subject, and content as written in a genuine email.”

৯.১০ Type-৪ অনুশীলন ও উত্তর
উদা. ১: একটি পথের দৈর্ঘ্য ২২৫ কি.মি.। পথটি অতিক্রম করতে সময় লাগে ৫ ঘণ্টা। গতিবেগ নির্ণয় করো।
সমাধান:
গতিবেগ= ২২৫৫ কি.মি./ঘণ্টা = ৪৫ কি.মি./ঘণ্টা
∴ উত্তর: গতিবেগ = ৪৫ কি.মি./ঘণ্টা।
উদা. ২: ৫ মি./সে. গতিবেগকে কি.মি./ঘণ্টায় প্রকাশ করো।
সমাধান:
রূপান্তর= ৫ × ১৮৫ কি.মি./ঘণ্টা = ৫ × ৩ কি.মি./ঘণ্টা = ১৫ কি.মি./ঘণ্টা
∴ উত্তর: ৫ মি./সে. = ১৮ কি.মি./ঘণ্টা।
উদা. ৩: একটি ট্রেনের দৈর্ঘ্য ২২৫ মিটার এবং গতিবেগ ৫৪ কি.মি./ঘণ্টা। ট্রেনটি একটি খুঁটি অতিক্রম করতে কত সময় নেবে?
সমাধান:
গতিবেগ= ৫৪ × ৫১৮ মি./সে. = ১৫ মি./সে.সময়= দূরত্বগতিবেগ = ২২৫১৫ সেকেন্ড = ১৫ সেকেন্ড
∴ উত্তর: খুঁটি অতিক্রম করতে সময় লাগবে ১৫ সেকেন্ড।
উদা. ৪: সমান দূরত্বের দুটি পথে গতিবেগ যথাক্রমে ৪৫ কি.মি./ঘণ্টা ও ৯০ কি.মি./ঘণ্টা। গড় গতিবেগ নির্ণয় করো।
সমাধান:
গড় গতিবেগ= ২ × ৪৫ × ৯০৪৫ + ৯০ কি.মি./ঘণ্টা = ৮১০০১৩৫ কি.মি./ঘণ্টা = ৬০ কি.মি./ঘণ্টা
∴ উত্তর: গড় গতিবেগ = ৬০ কি.মি./ঘণ্টা।
✦৯.১১ সাধারণ ভুল ও ফাঁদ
পাঠ সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি
  • আনুষ্ঠানিক চিঠিতে প্রেরকের ঠিকানা, তারিখ, প্রাপকের ঠিকানা, সম্ভাষণ, বিষয়, মূল বক্তব্য, সমাপ্তি ও স্বাক্ষর—এই আটটি অংশ রাখতে হয়।
  • চিঠির অংশগুলো সঠিক ক্রমে না সাজালে চিঠির গঠন অসম্পূর্ণ হয়ে যায়।
  • বিষয় লাইনে চিঠির প্রধান উদ্দেশ্য সংক্ষেপে ও পরিষ্কারভাবে লিখতে হয়।
  • মূল বক্তব্যে লেখার কারণের সঙ্গে প্রয়োজনীয় তথ্য বা অনুরোধও উল্লেখ করতে হয়।
  • একই চিঠিতে পূর্ণ ব্লক, পরিবর্তিত ব্লক ও অর্ধ-ব্লক—ভিন্ন বিন্যাস একসঙ্গে ব্যবহার করা যায় না।
  • পূর্ণ ব্লক বিন্যাসে চিঠির সব অংশ বাম মার্জিনে থাকে এবং অনুচ্ছেদের মধ্যে দ্বিগুণ ফাঁক রাখা হয়।
  • পরিবর্তিত ব্লক বিন্যাসে তারিখ ও প্রেরকের ঠিকানা ওপরের ডানদিকে থাকে এবং সমাপ্তি ও স্বাক্ষর ডানদিকে বসে।
  • অর্ধ-ব্লক বিন্যাসে প্রতিটি অনুচ্ছেদের শুরুতে ভেতরের ফাঁক থাকে।
  • প্রকৃত ই-মেইলে প্রাপকের ই-মেইল ঠিকানা, বিষয় এবং বার্তার বিষয়বস্তু অবশ্যই থাকতে হয়।
  • ই-মেইল বা চিঠি লেখার সময় মার্জিন, অনুচ্ছেদ ও পরিচ্ছন্ন বিন্যাস বজায় রাখতে হয়।
  • নির্ধারিত শব্দসীমা থাকলে সাধারণ সীমায় প্রায় দশ শতাংশ কম-বেশি গ্রহণযোগ্য হলেও “দুই শত শব্দের বেশি নয়” ধরনের নির্দেশ অতিক্রম করা যায় না।
  • “অন্তত দুই শত শব্দ” বলা থাকলে লেখায় ন্যূনতম দুই শত শব্দ পূরণ করতে হয়।
৯.১২ অতিরিক্ত অনুশীলন
এগুলো অনুশীলনের জন্য তৈরি প্রশ্ন; বিগত সালের প্রশ্ন নয়।
উদা. ১: একটি পথের দৈর্ঘ্য ৩০০ কি.মি.। পথটি অতিক্রম করতে সময় লাগে ৫ ঘণ্টা। গতিবেগ নির্ণয় করো।
সমাধান:
গতিবেগ দূরত্বসময়
= ৩০০৫ কি.মি./ঘণ্টা
= ৬০ কি.মি./ঘণ্টা
∴ উত্তর: গতিবেগ = ৬০ কি.মি./ঘণ্টা।
উদা. ২: ১০ মি./সে. গতিবেগকে কি.মি./ঘণ্টায় প্রকাশ করো।
সমাধান:
১০ মি./সে. = ১০ × ১৮৫ কি.মি./ঘণ্টা
= ১০ × ৩ কি.মি./ঘণ্টা
= ৩০ কি.মি./ঘণ্টা
∴ উত্তর: ১০ মি./সে. = ৩৬ কি.মি./ঘণ্টা।
উদা. ৩: একটি ট্রেনের দৈর্ঘ্য ৩০০ মিটার এবং গতিবেগ ৭২ কি.মি./ঘণ্টা। ট্রেনটি একটি খুঁটি অতিক্রম করতে কত সময় নেবে?
সমাধান:
গতিবেগ = ৭২ × ৫১৮ মি./সে.
= ২০ মি./সে.
সময় দূরত্বগতিবেগ
= ৩০০২০ সেকেন্ড
= ১৫ সেকেন্ড
∴ উত্তর: খুঁটি অতিক্রম করতে সময় লাগবে ১৫ সেকেন্ড।
উদা. ৪: একটি ট্রেনের দৈর্ঘ্য ৩০০ মিটার এবং একটি প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ্য ২৮০ মিটার। ট্রেনটির গতিবেগ ৭২ কি.মি./ঘণ্টা হলে প্ল্যাটফর্মটি অতিক্রম করতে কত সময় লাগবে?
সমাধান:
৭২ কি.মি./ঘণ্টা = ৭২ × ৫১৮ মি./সে.
= ২০ মি./সে.
অতিক্রমের দূরত্ব = ৩০০ + ২৮০ মিটার
= ৫৮০ মিটার
সময় = ৫৮০২০ সেকেন্ড
= ২৯ সেকেন্ড
∴ উত্তর: প্ল্যাটফর্মটি অতিক্রম করতে সময় লাগবে ২৯ সেকেন্ড।
উদা. ৫: স্থির জলে একটি নৌকার গতিবেগ ২০ কি.মি./ঘণ্টা এবং স্রোতের গতিবেগ ৫ কি.মি./ঘণ্টা। অনুকূলে ও প্রতিকূলে নৌকার গতিবেগ নির্ণয় করো। ৩৭৫ কি.মি. যেতে দুই অবস্থায় সময়ও নির্ণয় করো।
সমাধান:
অনুকূলে গতিবেগ = নৌকার গতিবেগ + স্রোতের গতিবেগ
= ২০ + ৫ কি.মি./ঘণ্টা
= ২৫ কি.মি./ঘণ্টা
প্রতিকূলে গতিবেগ = নৌকার গতিবেগ − স্রোতের গতিবেগ
= ২০ − ৫ কি.মি./ঘণ্টা
= ১৫ কি.মি./ঘণ্টা
অনুকূলে সময় = ৩৭৫২৫ ঘণ্টা = ১৫ ঘণ্টা
প্রতিকূলে সময় = ৩৭৫১৫ ঘণ্টা = ২৫ ঘণ্টা
∴ উত্তর: অনুকূলে গতিবেগ ২৫ কি.মি./ঘণ্টা ও সময় ১৫ ঘণ্টা; প্রতিকূলে গতিবেগ ১৫ কি.মি./ঘণ্টা ও সময় ২৫ ঘণ্টা।
🧠
Finished reading? Test yourself!10 quick questions on this chapter's text · instant score and explanations
🎓
Understand every text and practise – AlphaGenEduChapter MCQs, model tests and board questions – free on alphagenedu.com
Create free account →